
শেষ আপডেট: 25 October 2022 07:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত এবং শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের সঙ্গে গতকাল বৈঠক হয়েছে সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্যের (Ashok Bhattacharya)। সেই ছবি নিয়ে তৃণমূল দাবি করেছে, বিজেপি গিয়ে বলে এসেছে ডিসেম্বরে বাংলার সরকার ফেলা দেওয়া হবে। অশোকবাবুদের পাশে পেতেই তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন রাজু, শঙ্কররা। এ নিয়ে যখন রাজনৈতিক জলঘোলা হচ্ছে তখন দ্য ওয়ালে অকপটে তাঁর কথা জানালেন প্রবীণ সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য।
এদিন দ্য ওয়ালের ফোন বাজতেই হয়তো অশোক বুঝেছিলেন কী জিজ্ঞাস্য। ফোন ধরেই প্রাক্তন পুরমন্ত্রী বলেন, "আরে বিজেপির সাংসদ যদি বাড়িতে আসেন তাহলে কি ওঁকে কি আমি ঘর থেকে বের করে দেব? এটা কি কাম্য আমার থেকে?"
এরপরেই অশোক ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করা হয়, হঠাৎ আপনার বাড়িতে বিজেপির সাংসদ গেলেন কেন? জবাবে অশোকবাবু বলেন, "আগামী ৩০ অক্টোবর আমার স্ত্রীর প্রথম প্রয়াণ বার্ষিকী। ওইদিন আমি একটি স্মরণানুষ্ঠান করছি। অনেককে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। সেই তালিকায় দার্জিলিংয়ের সাংসদও আছেন। গতকাল এসে সাংসদ বলে গেলেন উনি ৩০ অক্টোবর থাকতে পারবেন না। তাই দেখা করতে এসেছেন। কাল দীপাবলি ছিল। উনি আমায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আমিও ওঁকে জানিয়েছি।"
শঙ্কর একসময় সিপিএমের নেতা ছিলেন। অশোক ঘনিষ্ঠ হিসেবেই তাঁর পরিচিতি ছিল। তাঁর যাওয়াটা খুব একটা নজর কারেনি। কারণ প্রাক্তন গুরুর কাছে বিধায়ক হওয়ার পরেও গিয়েছিলেন শঙ্কর। কিন্তু অমিত শাহ ঘনিষ্ঠ রাজু বিস্তের যাওয়া নিয়েই তোলপাড় রাজনীতি। তৃণমূল এও দাবি করেছে, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য ভাগের যে ছক কষছে সেই ব্যাপারেও কথা হয়েছে সোমবারের বৈঠকে।
এদিন অশোক বলেন, ওঁরা সব মিলিয়ে আট দশ জন এসেছিলেন। সাংবাদিকরাও ছিলেন। সবাই চা বিস্কুট খেয়েছেন। আলাদা কোনও বৈঠক হয়নি। যা কথা হয়েছে তা সাংবাদিকদের সামনেই হয়েছে। আর যে কৌতূহল তৈরির চেষ্টা হচ্ছে তার কোনও প্রশ্নই নেই।
‘বুড়ো বয়সে’ বিয়ে করতে বাধা কীসের! ঊর্ধ্বসীমা তুলে দিয়ে পুরআইন বদলের নির্দেশ কোর্টের