দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাঁচ বছর পকসো মামলা চলার পর দোষীকে শাস্তি দিল আদালত। ১১ বছরের নাবালিকাকে জোর করে পার্কে তুলে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন চালিয়ে ছিল চন্দন মন্ডল নামে এক যুবক। পরে পকসো আইনে মামলা চলছিল চন্দনের বিরুদ্ধে। আজ, বৃহস্পতিবার তাকে দোষী সাব্যস্ত করে চার বছরের হাজতবাসের সাজা শোনাল আদালত।
চন্দন মন্ডলকে পকসো আইনের ৮ নং ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন অতিরিক্ত জেলা জজ(দ্বিতীয়) শরণ্যা সেন প্রসাদ। একইসঙ্গে তিনি দোষীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ২ মাসের জেলে থাকার নির্দেশ দেন।
সেইসঙ্গে, নির্যাতিতাকে ৩ লক্ষ টাকা ক্ষতি পূরণ দেওয়ার জন্য বিচারক 'রাজ্য লিগ্যাল কাউন্সিলের' কাছে সুপারিশ করেন। মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন তপন মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ''এই মামলায় চিকিৎসক, পুলিশ ও ২ জন প্রতক্ষ্যদর্শী সহ মোট ১০ জন সাক্ষী দিয়েছেন।''
তিনি আরও বলেন, ''এই ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৫ সালের ১৫ আগস্ট। সেদিন আসানসোলের মহিশীলা কলোনির বাসিন্দা চন্দন মন্ডল নিজের বাইকে ওই এলাকারই ১১ বছরের নাবালিকাকে জোর করে বার্ণপুরের নেহেরু পার্কে তুলে নিয়ে যায়। সেখানে সে নাবালিকার ওপর যৌন নির্যাতন চালায়। পরিবারের অভিযোগ পেয়ে, হীরাপুর থানার পুলিশ পার্কে গিয়ে নাবালিকাকে উদ্ধার করে। গ্রেফতার হয় চন্দন।''
অন্যদিকে, অপর একটি মামলায় পকসো আইনে আরও এক ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার দোষী সাব্যস্ত করেছেন আসানসোল আদালতের অতিরিক্ত জেলা জজ ( দ্বিতীয়) শরণ্যা সেন প্রসাদ। শনিবার এই মামলার সাজা ঘোষণা করবেন বিচারক। এই মামলায় দোষীর নাম দেবু হাঁড়ি। সে আসানসোলের রূপনারায়ণপুরের সীমান্তপল্লীর একটি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে দারোয়ান ছিল। চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়াকে যৌন হেনস্থা করে। ওই মামলা স্কুলের তৎকালীন টিচার ইনচার্জ দেবপ্রসাদ পালও অভিযুক্ত ছিলেন। প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছিলো ২০১৮ সালের ২৮ জুলাই। এই মামলায় ১৫ জন সাক্ষী দিয়েছেন।