
শেষ আপডেট: 30 December 2019 12:42
তৃণমূলের জনসভায় তিনি বলেন, “যদি আপনাদের বাড়িতে কেউ যান সমীক্ষার নাম করে, যদি তিনি জিজ্ঞাসা করেন আপনাদের বাড়িতে ক’টি বাছুর, ক’টি ছাগল আছে এবং তারপরে জিজ্ঞাসা করেন কত জন মানুষ আছেন, কবে এসেছেন, কত সালে এসেছেন, ’৭১ সালের দলিল আছে কিনা—তখন ঝাঁটার বাড়ি মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেবেন। চিন্তা নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন আপনার পাশে।’’
একটি জনসভায় অনুব্রত বলেন, “বাংলায় কিছুতেই এনআরসি হতে দেব না। ক্ষমতা থাকলে ৩৫৬ করে দেখাও।”
রাজ্যে এনআরসি, সিএএ-এর মতো এনপিআর হতে দেবেন না বলেও স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তর কলকাতার মিছিল শেষে বলেছিলেন, “আমি আগে এনপিআর মানে সেনসাস ভেবেছিলাম। ওমা! এখন দেখছি ওটা দিয়েই এনআরসির কাজ করতে চাইছে। আমি বন্ধ করে দিয়েছি।” যদিও কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার যদি এই কাজে সাহায্য না করে তাহলে কেন্দ্র লোক পাঠিয়ে এনপিআর-এর জন্য তথ্য সংগ্রহ করবে। কিন্তু অনুব্রতর নিদানে নতুন আশঙ্কা তৈরি হল। গ্রাম-গঞ্জে লোকে যদি সত্যি ঝাঁটা হাতে নেমে পড়েন তাহলে আদৌ এই কাজ বাস্তবায়িত হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
কেন্দ্রীয় সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন করেছে। তার অনেক আগে থেকেই বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়ে দিয়েছিলেন, সারা দেশে নাগরিক পঞ্জিকরণ বা এনসিআর হবে। যদিও পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন এখনও এনিয়ে মন্ত্রিসভায় কোনও আলোচনা হয়নি, সংসদেও হয়নি। পরে অমিত শাহ তাতে সায় দেন।