
শেষ আপডেট: 10 August 2023 13:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: বাড়ির ভিতরে মধ্যরাতে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল রাজ্য পুলিশের (West Bengal Police) এক সাব-ইন্সপেক্টরের। জানা গেছে, ৩ দিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জঙ্গলমহল সফরের সময় ডিউটি করেছিলেন তিনি। কাজ শেষে ফিরে এসেছিলেন ভাড়া বাড়িতে। সেখান থেকেই তাঁর পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে (Asansol SI burnt dead body found)।
অমল ভট্টাচার্য নামে ৫৮ বছর বয়সি ওই সাব ইন্সপেক্টর আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অধীনে আসানসোল পুলিশ লাইনে (Asansol police line) কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি মাইথনের ডিভিসি-র লেফ্ট ব্যাংক এলাকায়। যদিও কর্মসূত্রে তিনি ভাড়া থাকতেন আসানসোল দক্ষিণ থানার নতুন পাড়ায়। সেখানেই তাঁর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী মুনমুন ভট্টাচার্যও থাকতেন।
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর সফরের ডিউটি শেষ হওয়ার পর বুধবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আসানসোলে ভাড়া বাড়িতে আসেন তিনি। রাত তখন ১.৩০ হবে, সেই সময় বাড়িওয়ালা খেয়াল করেন একতলায় অমলবাবুর ঘর থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি খবর দেন আসানসোল দক্ষিণ থানায়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখে, অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছেন অমল ভট্টাচার্য। ঘরের ভিতরে সমস্ত জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
অমলবাবুর স্ত্রী মুনমুন ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা থেকে বাড়ি ফিরে ঘটনার কথা জানতে পারেন। দুপুরে আসানসোল জেলা হাসপাতালে গিয়ে পৌঁছান তিনি। ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব মুনমুন জানিয়েছেন, তাঁরা এই ভাড়াবাড়িতে থাকেন। তাঁদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার জন্য কলকাতার বাড়িতে থাকে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, অমলবাবুই জঙ্গলমহল সফরে যাওয়ার আগে তাঁকে কলকাতায় চলে যেতে বলেন। বৃহস্পতিবার সকালে আসানসোলে ফেরার কথা ছিল তাঁর। ডিউটি শেষ হয়ে যাওয়ায় বুধবার রাতেই অমলবাবু আসানসোলে ফিরে আসেন। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ধন্দ কাটছে না মুনমুনদেবীর।
ঘরের সমস্ত আসবাবপত্রের সঙ্গে সিলিং ফ্যান এবং এসিও পুড়ে গেছে। মুনমুন ভট্টাচার্যের দাবি, পুলিশ জানিয়েছে সিগারেটের আগুন কোনওভাবে বিছানায় পড়ে যাওয়ার ফলে তা থেকেই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশ তার প্রমাণও পেয়েছে। এ বিষয়ে তাঁর কোনও অভিযোগ নেই বলে জানিয়েছেন মুনমুন।
পুলিশের অনুমান, সিগারেট থেকেই কোনভাবে আগুন ধরে গিয়েছিল ঘরে। গভীর রাত হওয়ায় তা কেউ জানতে পারেনি। ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
রায়ে স্থগিতাদেশ, সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে হাত পা বেঁধে দেওয়ার অনুযোগ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের