
শেষ আপডেট: 30 September 2021 06:41
রফিকুল জামাদার
কেউ কেউ বলেন, ভোট আসলে ওয়ান ডে ম্যাচ। আগে হাজার ঘণ্টা নেট প্র্যাকটিস করলেও দিনের দিন ব্যাটে-বলে না হলে কোনও লাভ হয় না। অনুশীলনে ঘাম ঝরানোই সার হয়। ভবানীপুরের ভোটে (bhowanipore poll) বিজেপির (bjp) দশা যেন কতকটা অনুশীলনে ঘাম ঝরিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ার মতো। বুথে বুথে একা ছুটে বেড়াচ্ছেন প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল (priyanka)। কিন্তু ভোট ময়দানে গেরুয়া সৈনিকদের দেখাই নেই। বিজেপি প্রচারের যতটা ঝাঁঝ দেখিয়েছিল ভোটের দিন ঠিক ততটাই নিষ্প্রভ। অন্যদিকে মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছে তৃণমূল। (tmc) চনমনে ঘাসফুল শিবির। ভোটের দিনের কিছু ছবি জনমানসে রাজনৈতিক দলগুলির সম্পর্কে ধারণা নির্মাণ করে। তা হল কার ক্যাম্পে কত লোক, কার কত পতাকা ইত্যাদি। তাতে তৃণমূলের ধারেকাছে কেউ নেই। কোথাও কোথাও বিজেপি ক্যাম্পই খুলতে পারেনি। বরং পতাকার সংখ্যা, ক্যাম্প পেতে বসে বুথমুখী ভোটারদের দেখে লিস্টে টিক মারার কাজে সিপিএম কিছুটা হলেও ছাপ ফেলেছে। তৃণমূল ১০০ শতাংশ বুথে এজেন্ট দিয়েছে। বিজেপির দাবি, কয়েকটি বুথ থেকে তাঁদের এজেন্টকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। তবে অধিকাংশ বুথেই প্রিয়াঙ্কার এজেন্টরা রয়েছেন। সিপিএমও দাবি করেছে তারা সব বুথে এজেন্ট দিতে পেরেছে। যদিও সূত্রের খবর, ৭৩ নম্বর ওয়ার্ড ও খিদিরপুরের অন্তত ২৫টি বুথে সিপিএম এজেন্টই খুঁজে পায়নি। শুরু থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন এই লড়াইকে হালকা ভাবে নেওয়া চলবে না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে প্রথম সারির বিজেপি নেতারা ভবানীপুরের প্রচারে গিয়ে নন্দীগ্রামের রিপিট টেলিকাস্ট করার ডাক দিয়েছিলেন। ফলে দুপক্ষের বাকযুদ্ধ উপনির্বাচনকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়। প্রচারের শেষ দিন দিলীপ ঘোষকে ঘিরে যে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটেছিল তা ভবানীপুরের ভোটের পারাকে আরও চড়িয়ে দিয়েছিল। তবে এদিন সকাল থেকেই ভোট হচ্ছে চুপচাপ। কিন্তু কোন ফুলে ছাপ পড়ছে তা স্পষ্ট হবে ৩ অক্টোবর ইভিএম খোলার পরেই। সাধারণ ভোটাররা চুপচাপ। বেশিরভাগেরই কোনও তাপ-উত্তাপ নেই।