
শেষ আপডেট: 29 September 2021 13:19
সাধারণত উপনির্বাচনে অনেকেই ভোট দিতে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তার ওপর এই অকালবৃষ্টি। তাই স্বাভাবিকভাবেই বহুতল আবাসনের বাসিন্দারা ভোট দিতে আসবেন কি না, তা নিয়ে চিন্তায় ছিল শাসকদল। এদিন সুধীর বোস রোডের একটি আবাসনের বাসিন্দা মহম্মদ জাফর বললেন, 'এরকম বৃষ্টি চলতে থাকলে জল কাল নাও নামতে পারে। জল ভেঙে আমি ভোট দিতে গেলেও স্ত্রী ও ছেলে হয়ত নামবে না।'
ভোটের কথা ভেবে আগাম প্রস্তুত ছিল পুরসভা। এদিন সকাল থেকেই তৎপর ছিলেন পুরকর্মীরা। জল ভেঙে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে দেখা গেছে তাঁদের। যেখানেই জল আটকে সমস্যা হয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলছে প্রচুর পাম্প। কিন্তু রাজেশ কুমার দাসের বক্তব্য, 'ভোটের আগে লোকদেখানো কাজ করছে পুরসভা। বৃষ্টি হলেই এখানে জল জমে। আজও সেই সমস্যা মিটল না।' সেইসঙ্গে জানালেন, কাল জল ভেঙে হলেও ভোট দেবেন।
মহম্মদ শেহজাদা বললেন, 'বডিগার্ড লাইনের জলেই এলাকা ভরে যায়। পুরসভা ভোটের জন্য বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েছে।'
এদিন বডিগার্ড লাইন লাগোয়া এলাকার জলছবি রীতিমতো ভয়াবহ। ন্যাশনাল লাইব্রেরি রোডে হাঁটুজল। ব্যস্ত রাস্তায় জল ভেঙেই যাতায়াত করতে হয়েছে বহু মানুষকে। সমস্যায় পড়েন সিএমআরআই-এ আশা লোকজন। স্থানীও দোকানদার দীপুল বৈদ্য বললেন, এর আগে টানা ছ দিন ভোগান্তি হয়েছে। এই জলও তিনদিনের আগে নামবে না।' নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভোটার জানালেন, 'অর্ধেক মানুষই ভোট দিতে আসবেন কি না সন্দেহ আছে। তাঁর মতে, ভোটারের সংখ্যা কমলে শাসকদলেরই লাভ হবে।