Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সংসদ হামলাতেও কি যোগ আছে দেবেন্দ্রর, তদন্তে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, এনআইএ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি, শ্রীনগর বিমানবন্দরের অ্যান্টি-হাইজ্যাকিং স্কোয়াডের অফিসার দেবেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে জঙ্গি-আঁতাত ধরা পড়ার পর থেকেই একাধিক প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে। কখনও ২০০১ সংসদ হামলায় নাম জড়িয়েছে দেবেন্দ্র, আবার

সংসদ হামলাতেও কি যোগ আছে দেবেন্দ্রর, তদন্তে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, এনআইএ

শেষ আপডেট: 15 January 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি, শ্রীনগর বিমানবন্দরের অ্যান্টি-হাইজ্যাকিং স্কোয়াডের অফিসার দেবেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে জঙ্গি-আঁতাত ধরা পড়ার পর থেকেই একাধিক প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে। কখনও ২০০১ সংসদ হামলায় নাম জড়িয়েছে দেবেন্দ্র, আবার কখনও পুলওয়ামা কাণ্ডে তাঁর জড়িত থাকার সম্ভাবনা দেখছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। বাজপেয়ী সরকারের আমলে সংসদ হামলাতে সত্যিই এই পুলিশ অফিসারের ভূমিকা ছিল কিনা, এবং ওই হামলার অন্যতম দোষী আফজল গুরু দেবেন্দ্র সঙ্গে যে যোগসাজশের কথা সামনে এনেছিলেন, সেটাও কতটা সত্যি খতিয়ে দেখা শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও জাতীয় তদন্তকারী দল (এনআইএ)। ২০১৩ সালে ফাঁসির আগে একটি চিঠিতে পুলিশ অফিসার দেবেন্দ্র সিংয়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছিলেন আফজল গুরু। সংসদ হামলায় অন্যতম দোষী আফজলের অভিযোগ ছিল, দেবেন্দ্রর মদতেই ওই হামলা ঘটানো হয়। শুধু তাই নয়, ওই হামলায় জড়িত মহম্মদ নামে এক জঙ্গিকে নিরাপদে দিল্লিতে বসবাসের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য আফজলকে চাপ দিচ্ছিলেন দেবেন্দ্র সিং। ওই কাশ্মীরি জঙ্গির থাকার জন্য দিল্লিতে বাড়ি এবং গাড়ির বন্দোবস্তও নাকি করেছিলেন পুলিশ কর্তা। জেল হেফাজতে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও এনেছিলেন আফজল গুরু। সেই অভিযোগের তির ছিল দেবেন্দ্ররই দিকে। আফজলের দাবি ছিল, জেলে তাঁর উপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন পুলিশ কর্তা। চাপ দিয়ে তাঁর থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টা করতেন। যদিও ফাঁসির আসামির এইসব অভিযোগে সেই সময় আমল দেওয়া হয়নি। তদন্তকারী অফিসাররা বলছেন, দেবেন্দ্রর সঙ্গে জঙ্গিযোগের বিষয়টা সামনে আসার পর থেকেই অতীতের এই যোগসাজশের বিষয়টা ফের খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি সংসদ হামলার পিছনে কি পুলিশ অফিসার দেবেন্দ্রই সক্রিয় ভূমিকা ছিল, নাকি পাকিস্তানের কোনও জঙ্গি সংগঠনের নির্দেশে ওই হামলায় মদত দিয়েছিলেন তিনি!

আরও পড়ুন: বিশ্বস্ত পুলিশকর্তা থেকে জঙ্গি-দোসর ষড়যন্ত্রী, কীভাবে বদলে গেলেন দেবেন্দ্র

শনিবার জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়েতে তিন হিজবুল জঙ্গি সমেত ধরা পড়েছিলেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি দেবেন্দ্র সিং। অভিযোগ উঠেছিল, নিজের ব্যক্তিগত আই-১০ গাড়িতে জঙ্গিদের নিরাপদে দিল্লিতে পৌঁছে দিচ্ছিলেন পুলিশ অফিসার। জেরায় জঙ্গিদের থেকে শ্রীনগরে সেনার ১৫ কোরের সদর দফতরের পাশে ইন্দিরা নগরে দেবেন্দ্র বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একে-৪৭ সহ নানারকম আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দেবেন্দ্রর গাড়িতে ওই দিন ছিল হিজবুল কম্যান্ডার নাভিদ বাবু। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদের পর থেকে ১১ জন শ্রমিক হত্যার অভিযোগ ছিল যার বিরুদ্ধে। নাভিদ জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের কাছে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গি। নাভিদের সঙ্গেই দেবেন্দ্র ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে ধরা পড়েছে হিজবুলের আরও সক্রিয় সদস্য রফি রাঠৌর এবং গাড়ির চালক কাশ্মীরের এক আইনজীবী, হিজবুলের সদস্য ইরফান শফি মীর। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, শোপিয়ানে গিয়ে নাভিদকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন দেবেন্দ্র। সেখান থেকেই বাকিদের গাড়িতে তুলে রওনা দিয়েছিলেন দিল্লির দিকে। অনুমান করা হচ্ছে, দিল্লি, পঞ্জাব, চণ্ডীগড়ে একাধিক নাশকতার ছক কষছিল ওই হিজবুল জঙ্গিরা। রাজধানীতে লুকিয়ে থাকা হিজবুলের কোনও এক ঘাঁটিতে তাদের পৌঁছে দেওয়ার বরাত নিয়েছিলেন দেবেন্দ্র। কিন্তু সেই অভিসন্ধি সফল হয়নি। পুলিশ অফিসারের ফোন ট্র্যাক করে জঙ্গিদের সঙ্গে তাঁর গোপন কথাবার্তা ও ঘুষ নেওয়ার কথা জানতে পেরে গিয়েছিলেন শোপিয়ানের পুলিশ সুপার সন্দীপ চৌধুরী। তারপর থেকেই গোয়েন্দাদের কড়া নজরে ছিলেন দেবেন্দ্র সিং। জঙ্গিদের নিয়ে দিল্লি যাওয়ার ছক সামনে আসার পরেই জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিআইজি অতুল গয়ালের নেতৃত্বে তৈরি হয় অপারেশন ব্লু-প্রিন্ট। জম্মু পুলিশের বিশ্বস্ত অফিসারদের নিয়ে তৈরি হয় বিশেষ টিম। হাইওয়ের একটি টানেলের ভিতর আটকানো হয় দেবেন্দ্র গাড়ি। জঙ্গি ও অস্ত্রসমেত ধরা পড়েন পুলিশ অফিসার।

```