দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যসভায় (rajyasabha) বাংলায় থেকে একটা শূন্য পদ ছিল। সেই পদের নির্বাচনে সদ্য কংগ্রেস থেকে আসা সুস্মিতা দেবকে (susmita dev) প্রার্থী করেছেন দিদি। ঠিক এমনই সময়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদ (mp post) থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূলের অপর এক মহিলা নেত্রী। তিনি অর্পিতা ঘোষ। (arpita ghosh)
উনিশের লোকসভা ভোটে পরাস্ত হয়েছিলেন অর্পিতা। দিদি তাঁকে সংসদের উচ্চকক্ষে পুনর্বাসন দিয়েছিলেন। সেই অর্পিতা হঠাৎ রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়লেন কেন তা নিয়ে দলের মধ্যে ও বাইরে জল্পনা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। এ ব্যাপারে অর্পিতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।
পরে দলের শীর্ষ নেতা তথা নাম্বার টু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা অর্পিতার একটি চিঠি সামনে আসে। তাতে তিনি জানিয়েছেন, দল তাঁকে লোকসভা সাংসদ, জেলা সভাপতি, রাজ্যসভা এমপি, নানা সময়ে নানা দায়িত্ব দিয়েছে, যা তিনি আনন্দের সঙ্গে পালন করেছেন। এজন্য তিনি দলের কাছে কৃতজ্ঞ। তবে ২০২১ এর মে মাসে নির্বাচনে বিরাট সাফল্যের পর তিনি দলে কী করে নিজের ভূমিকা পালন করে যেতে পারেন, সে ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়ে ভেবেছেন। জানিয়েছেন, তিনি সাংসদ না থেকেও পশ্চিমবঙ্গে দলের হয়ে কাজ করতেই বেশি আগ্রহী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের ছায়ায় রাজ্যবাসীর জন্য কাজ করাই তাঁর লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেছেন অর্পিতা।
তবে তৃণমূলের এক উপরের সারির নেতার মতে, হতে পারে দলের নির্দেশেই রাজ্যসভার সদস্য পদ ছেড়েছেন অর্পিতা। কারণ, দল চাইছে সংসদে বলিয়ে কইয়ে মুখ। রাজ্যসভায় সদস্য হওয়ার ব্যাপারে দলের মধ্যে প্রত্যাশীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। বিধানসভা ভোটের সময়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা, আরটিআই অ্যাক্টিভিস্ট সাকেত গোখেল থেকে শুরু করে কুণাল ঘোষও রাজ্যসভার সদস্য হতে আগ্রহী বলে দলের অনেকেই মনে করেন। হতে পারে অর্পিতাকে রাজ্য স্তরে কোনও পদ দিয়ে, রাজ্যসভায় শূন্য পদে নতুন মুখ পাঠাবে দল। এখন দেখার সেই মুখ কে হতে পারেন।