
শেষ আপডেট: 12 December 2022 15:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব তৃণমূল কংগ্রেসের পিছু ছাড়ছে না। এবার দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আরমাবাগের ( Arambagh Chaos ) হরিণখোলা এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠল। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরামবাগের এসডিপিও অভিষেক মণ্ডলের নেতৃত্বে বিরাট পুলিশবাহিনী এলাকায় পৌঁছয়।
জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে আরামবাগের মুথাডাঙা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ( TMC Workers ) সম্মেলন ছিল। সেখানে যাওয়ার সময়ই রাজ্যের শাসকদলের দুই গোষ্ঠী হরিণখোলায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি মোটর বাইক পুকুরে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ গ্রামবাসীর। এমনকী ব্যাপক বোমাবাজির অভিযোগও উঠেছে।
তৃণমূল নেতা লাল্টু খান বলেন, “চল্লিশটা বাইক নিয়ে মিটিংয়ের যাচ্ছিলাম । আরামবাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান স্বপন নন্দীর অনুগামীরা আমাদের উপর হামলা করে। ব্যাপক মারধর করে।যারা মারধর করল তারা কিছুদিন আগেও বিজেপি করছিল। ”
তাপস মণ্ডল ৩২৫ জনকে টেট পাশ করাতে মানিককে ১০ লক্ষ টাকা করে দিয়েছিলেন
লাল্টুর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর নেতা পার্থ হাজারি বলেন, “দলের কোনো কর্মসূচিতে ওরা থাকে না। সোমবার মিটিং এর জন্য পতাকা বাধা থেকে সবকাজ আমরা করেছি। মিটিং-এ আসার জন্য দলের কর্মিরা যখন বেরিয়েছিল তখন কিছু দুষ্কৃতী আমাদের উপর হামলা করে দিল। লাঠি দিয়ে মারল। আঙুল ভেঙে গেছে। সব ঘটনা দলের নেতৃত্বকে জানিয়েছি।”
লাল্টু খান অবশ্য বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর উপর দায় চাপিয়ে বলেছেন, ‘ওদের জন্যই আরামবাগে তৃণমূলটা শেষ হয়ে যাচ্ছে।’
আরামবাগ জেলা তৃণমূল সভাপতি রামেন্দু সিংহ রায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘আমি বোমার আওয়াজ পাইনি। তবু যখন বলছেন খোঁজ নেব। ঘটনা সত্যি হল দলগত ব্যবস্থা নেব।’