দ্য ওয়াল ব্যুরো : অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল জেলার গোল্লাভানেপল্লি গ্রামে নিজের জমিতে চাষ করছিলেন এক কৃষক। এমন সময় লাঙলের ফলায় উঠে এল আস্ত এক হিরে। ওই কৃষক অবশ্য প্রথমে হিরের দাম বুঝতে পারেননি। তিনি আল্লা বক্স নামে এক স্থানীয় ব্যবসায়ীকে ওই হিরে দেখান। ব্যবসায়ী নগদ সাড়ে ১৩ লক্ষ টাকা ও পাঁচ তোলা সোনার বিনিময়ে হিরেটি কিনে নেন। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে ওই হিরের দাম অন্তত ৬০ লক্ষ টাকা।
পুলিশ জানিয়েছে, চাষের জমি থেকে কেউ হিরে পেয়েছে বলে তারা জানে না। তবে এই ধরনের একটা গুজব ছড়িয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখছে।
এই নিয়ে চলতি বর্ষায় কুর্নুল জেলা থেকে দু’বার হিরে পাওয়া গেল। গত ১২ জুন জোন্নাগিরি অঞ্চলে ভেড়া চরানোর সময় এক পশুপালক আট ক্যারেটের হিরে পান। তিনি ২০ লক্ষ টাকায় হিরে বিক্রি করেন। পরে জানা যায়, ওই হিরের মূল্য অন্তত ৫০ লক্ষ টাকা।
অতীতেও কৃষ্ণা নদী ও তার শাখানদীগুলির তীর থেকে হিরে পাওয়া গিয়েছে। এই হিরেগুলিকে ভুল করে গোলকোন্ডা মাইন বলা হয়। বহু কৃষক ও পরিযায়ী শ্রমিক এখন কৃষ্ণার দুই শাখা নদী তুঙ্গভদ্রা ও হুন্দ্রির তীরে তাঁবু খাটিয়ে রয়েছেন। তাঁদের অনেকেরই ভাগ্যে ছোট ছোট হিরে জুটেছে।
প্রতি বছর বর্ষায় জলের স্রোতে হিরের টুকরো ভেসে আসে। জোন্নাগিরি, তুগগালি, মাদ্দিকেরা, পাগিদিরাই, মহানন্দী ও মহাদেবপুরম গ্রাম থেকেই হিরে পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি। প্রতি বছর বর্ষার সময় অন্ধ্র তো বটেই, প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, তেলঙ্গানা ও মহারাষ্ট্র থেকে বহু মানুষ কৃষ্ণা ও তার শাখানদীগুলির তীরে আসেন হিরের খোঁজে।