
শেষ আপডেট: 14 April 2023 09:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির নেতারা বাংলায় সফরে এলে খাওয়াদাওয়া করবেন, তা অতি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু অমিত শাহর (Amit Shah) ‘দ্বিপ্রাহরিক ভোজন’কে (Lunch) বিজেপি বাংলায় একটা অন্যমাত্রা দিয়েছিল। উনিশের লোকসভা ভোটের আগে থেকে প্রায় টানা দু’বছর দেখা গেছিল, অমিত শাহ বাংলায় এলেই কোনও দলিত বা অনগ্রসর পরিবারের দাওয়ায় বসে ভাত খাচ্ছেন। কখনও থালা গ্লাস মাটির, কখনও বা কাঁসার থালা।
তা দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে বলতেন, ফাইভ স্টার থেকে খাবার যায়। তার পর সেগুলো পাতে ঢেলে খায়। এ একটা নতুন নাটক হয়েছে!
শুক্রবার অমিত শাহ যখন বীরভূমে এসে পৌঁছেছেন তখন বাইরের তাপমাত্রা চল্লিশ ডিগ্রি প্লাস। রিয়েল ফিল তার চেয়েও দু'ডিগ্রি বেশি। কার্যত তাপপ্রবাহ চলছে।
এহেন চৈত্রের দুপুরে ব্যতিক্রম দেখা গেল বীরভূমে। অমিত শাহ আর দুপুরের ভোজন কোনও গরিব পরিবারের দাওয়ায় বসে করলেন না। তিনি দুপুরের খাবার খেলেন সিউড়ির সার্কিট হাউজে।
খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে অমিত শাহর আড়ম্বর বড়ই কম। এমনিতে দেখা যায় বিজেপি ঘরানায় খাবার দাবার নিয়ে বিলাসিতা কমই রয়েছে। কংগ্রেসি ঘরানায় বরং খাবারের তরিবত দেখা যায় বেশি। অনেকে বলেন, তার কারণও রয়েছে। স্বাধীনোত্তর সময়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের রাজ পরিবার, সামন্ত, জমিদাররা কংগ্রেসে যোগ দেন। সেই সঙ্গে বর্ধিষ্ণু শিক্ষিত পরিবার থেকে অনেকে কংগ্রেস রাজনীতিতে আসেন। তাই কংগ্রেসের মেধা ও বিলাস—এই দুয়েরই সমাহার দেখা যেত।
বৃহস্পতিবার অন্ডাল বিমানবন্দরে নেমে বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে সিউড়ি পৌঁছন অমিত শাহ। তারপর সেখান থেকে সোজা চলে যান সার্কিট হাউসে। সেখানেই শাহের জন্য দুপুরের খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। তারপর মিনিট দশেক বীরভূম জেলার নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন শাহ। সে সব সেরে বেণীমাধব স্কুল মাঠে জনসভার উদ্দেশে।
এদিন অমিত শাহের সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজের পর তৃণমূল বলেছে, ‘এখন তো ভোট নেই, তাই নাটকও নেই। তার উপর এই চাঁদিফাটা গরম। হয়তো সে সব ভেবেই ব্যতিক্রমী হয়েছে শাহী বন্দোবস্ত’।
নবান্নে অমিত শাহের পাতে ধোকা, বাঙালি-গুজরাতি মিলিয়ে ৫৬ পদের বন্দোবস্ত মমতার