
শেষ আপডেট: 13 April 2023 10:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো, মুর্শিদাবাদ: টেকনিক্যাল কারণে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) আটকে থাকা টাকা ২০ এপ্রিলের মধ্যে ‘ক্লিয়ার’ করতে বলেছে নবান্ন। সরকার এই উদ্যোগের মধ্যেই বঞ্চনার অভিযোগ (Allegations) তুলে বিক্ষোভ দেখাল সাগরদিঘির মানুষ। তৃণমূলের পরাজয়ের কারণেই দু’মাস ধরে সাগরদিঘির (Sagardighi) মানুষের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা হয়েছে অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামল কংগ্রেস।
মুর্শিদাবাদের মানুষ সরকারের নানাবিধ সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে না বলে কংগ্রেসের অভিযোগ। সেখানকার মানুষের অভিযোগ দু’মাস ধরে সাগরদিঘির মা-বোনেদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতাও বন্ধ আছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরীর অভিযোগ সাগরদিঘিতে পরাজয়ের বদলা নিতেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বিধবা ভাতা, বার্ধ্যকা ভাতা না দেওয়ার মতো পদক্ষেপ করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার সাগরদিঘি বিডিও অফিসের এর প্রতিবাদ জানিয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা। ওই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন অধীর চৌধুরীও। তিনি বলেন, “রমজানের মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নেই। একশ দিনের কাজ নেই। সাগরদিঘির বুকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা করেছে তৃণমূল।” আর এজন্য অধীর শাসকদলের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিহংসার রাজনীতির অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, “সাগরদিঘির মানুষ কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছে, সেটাই অপরাধ। সাগরদিঘির মানুষ যেদিন থেকে কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছে সেদিন থেকেই এখানকার ভোটারদের বিরুদ্ধে নানারকমের প্রতিহিংসা মূলক পদক্ষেপ করছে সরকার। কালই (বুধবার) তাদের নেতা (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) বাঁকুড়ায় বলেছেন, তৃণমূলকে ভোট না দিয়ে সেখানকার মানুষ পাপ করেছেন। সাগরদিঘির ক্ষেত্রেও এটাই তাদের মনোভাব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক টাকা থেকে এগুলি দেন না। মানুষের টাকা মানুষকে দিতে হবে। আমরা ঘাস কাটতে এখানে আসিনি, দাবি আদায় করেই ছাড়ব।”
মিড ডে মিলের দুর্নীতি নিয়ে আরও বিপাকে রাজ্য, এবার শিক্ষা দফতরের কাছে রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের