
শেষ আপডেট: 25 February 2023 10:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বাঁকুড়া: একশো দিনের কাজের প্রকল্পে (100-day work project) তৈরি জঙ্গল গোপনে কেটে সাফ করার অভিযোগ (Allegations) উঠল শাসক দলের ব্লক সভাপতির (TMC leader) বিরুদ্ধে। খাতড়া ব্লকের বনকাটি গ্রামে তৃণমূলের ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন গ্রামের সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের সর্বস্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা।
বনকাটি গ্রামে কংসাবতী নদীর ধারে কিছুটা সরকারি ও কিছুটা রায়তি জমির উপর ২০১৪ সালে স্থানীয় গোড়াবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে গাছ লাগানো হয়েছিল। এখন সেখানে কার্যত জঙ্গল। সম্প্রতি গ্রামের মানুষ অভিযোগ করেন, বন দফতরকে না জানিয়েই রাতের অন্ধকারে এইসব গাছ কেটে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তাঁরা বন দফতর ও পুলিশ-প্রশাসনকে বিষয়টি জানায়।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তৃণমূলের খাতড়া ব্লক সভাপতি সুব্রতকুমার মহাপাত্রের মদতেই গাছ কাটা হচ্ছে। তাঁরা বলেন, একসময় পরিবেশের ভারসাম্য রাখতে গাছ লাগানো হয়েছিল। আর এখন বড় গাছগুলি কেটে টাকার লোভে বিক্রি করে দিচ্ছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি। বিজেপির জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডলও বলেন, ‘‘শাসক দলের প্রত্যক্ষ মদত ছাড়া এই ঘটনা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। সবাইকে লুকিয়েই গাছ কাটা হচ্ছে।’’
অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। রাজনৈতিক কারণেই বিরোধীরা তাঁকে কালিমালিপ্ত করছেন। বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা রাইপুরের তৃণমূল বিধায়ক মৃত্যুঞ্জয় মুর্মুও অভিযুক্ত ব্লক সভাপতির পাশেই দাঁড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, ‘‘এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগও ভিত্তিহীন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চক্রান্ত করে এ সব বলা হচ্ছে।’’
বন দফতরের দাবি, কর্মী কম থাকায় সর্বত্র নজরদারি চালানো তাঁদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী দিনে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বন দফতর।
ছত্তীসগড়ের সুকমায় মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াই, প্রাণ গেল তিন জওয়ানের