
শেষ আপডেট: 25 March 2023 05:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চুক্তি হয়েছিল ৫০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে। তাতে লেখা ছিল দু’জনের চাকরি হবে প্রাথমিক স্কুলে, অ্যাডভান্স ১০ লক্ষ টাকা। চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর আরও ১৫ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ ২ জনের চাকরির জন্য মোট ২৫ লক্ষ। চুক্তি অনুযায়ী পাশের গ্রামের এক ব্যক্তিকে অ্যাডভান্স ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন পাঁশকুড়ার পুরুষোত্তমপুর পঞ্চায়েতের বাসিন্দা তথা বিজেপি (BJP) নেতা বিশ্বনাথ বেরা। কিন্তু চাকরিও হয়নি, টাকাও আর ফেরত পাননি (Fraud)। এই অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিশ্বনাথবাবু। আদালত এফআইআর (FIR) দায়ের করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
বিশ্বনাথবাবু সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ছেলে শম্ভুনাথ ও বউমা বিষ্ণুপ্রিয়ার চাকরির জন্য তিনি ওই টাকা দিয়েছিলেন ২০১৫ সালে। তারপর থেকে বারবার অগ্রিমবাবদ দেওয়া টাকা ফেরত চাইলেও ওই ব্যক্তি তা দেননি বলে অভিযোগ।
গোটা ঘটনায় হইহই পোরে গিয়েছে এলাকায়। একটা সময়ে এই বিশ্বনাথ বেরা ছিলেন সিপিএমের পার্টি মেম্বার। বাম জমানায় এলাকায় তাঁর দাপটও ছিল বলে শোনা যায়। কিন্তু পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য প্রবীর বেরা বলেন, ‘আমার কাছে বিশ্বনাথবাবু এসেছিলেন সালিশি সভা ডেকে বিহিত করার জন্য। কিন্তু আমি স্পষ্ট বলি, আমায় জানিয়ে এইসব লেনদেন হয়নি। তাই আমি কিছু করতে পারব না। আপনি আইনের রাস্তায় হাঁটুন।’ অভিযুক্ত ব্যক্তি অবশ্য দাবি করেছেন, বিশ্বনাথ বেরা তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। পাঁশকুড়া থানার আইসি আশিস মজুমদার বলেন, ‘এফআইআর দায়ের হয়েছে। তদন্ত চলছে।’
কাকলিকে ডাকতে পারে ইডি, অয়নের গুচ্ছ লকারের হদিশ পেল তদন্ত এজেন্সি