
শেষ আপডেট: 24 October 2024 18:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো, আলিপুরদুয়ার: আটদিন পরে পাওয়া গেছিল জয়গাঁওয়ের সাতবছরের নাবালিকার পোড়া দেহ। যে মাঠে দেহ ফেলা হয়েছিল, সেখানে স্থানীয়রাদের আনাগোনা ছিল না। ফলে দেহ লোপাট করতে অসুবিধা হতো না অভিযুক্তদের। তবুও ধরা পড়ে গেল তারা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই নাবালিকার সঙ্গে কী কী ঘটনা ঘটিয়েছিল, সে সবই জেরার মুখে জানিয়েছে অভিযুক্তরা। তিন অভিযুক্তের দাবি, প্রথমে চাউমিন খাওয়ানোর বাহানায় ওই নাবালিকাকে শহরের পাশে এক পরিত্যক্ত গোডাউনের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে মূল অভিযুক্ত ওই প্রৌঢ় ও তার দুই সঙ্গী মিলে নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুন করে।
এরপরেই দেহ লোপাট করার জন্য প্লাস্টিকের দেহ মুড়িয়ে পাশের ওই পরিত্যক্ত মাঠে ঝোপের ধারে ফেলে দেয় তারা। শনিবার দেহে পচন ধরলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তাই ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে মূল অভিযুক্তের দুই সহযোগী জ্বালানী তেল ছড়িয়ে দেহে আগুন লাগিয়ে দেয়। এরপরে মূল অভিযুক্ত এলাকা ছেড়ে নেপাল সীমান্তের দিকে পালিয়ে যায়। যদিও বাকি দুই অভিযুক্ত এলাকাতেই থেকে গেছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত করতে গিয়ে এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ক্য়ামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছিল পুলিশ। ওই ফুটেজের একটিতে নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনের দিকে যেতে দেখা গেছিল অভিযুক্তকে। পথে অন্য ২ অভিযুক্তের সঙ্গে দেখা হয়ে যায় অভিযুক্তের।
পুলিশের আরও জানিয়েছে, দেহটি যে মাঠে ফেলা হয়েছিল, সেখান থেকে নাবালিকার বাড়ির দূরত্ব ১০ মিনিট। কিন্তু কেউ দেহ দেখতে পাননি। জয়গাঁওর ঘটনায় ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসোর ধারা মামলা রুজু করা হয়েছে। ৫ দিনের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।