'কুপ্রস্তাবে' সাড়া মেলেনি, গলসিতে আদিবাসী মহিলাকে বিয়েবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে 'গণধর্ষণ'
দি ওয়াল ব্যুরো: বিয়েবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আদিবাসী বিধবা মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। ঘটনাটি গলসি থানার সাঁকো গ্রামের ডাঙা পাড়ার। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন বলেন, ঘটনায় অভিযু
শেষ আপডেট: 2 July 2021 11:49
দি ওয়াল ব্যুরো: বিয়েবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আদিবাসী বিধবা মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। ঘটনাটি গলসি থানার সাঁকো গ্রামের ডাঙা পাড়ার। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন বলেন, ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় যুবক উত্তম বাউরিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে নিগৃহীতা বাকিদের নাম বলতে পারছেন না। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
নিগৃহীতার বড় মেয়ের অভিযোগ, গতকাল রাতে পাশের মাঝিপাড়ায় একটি বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলেন তার মা। রাত প্রায় দুটোর সময় উত্তম বাউরি নামে এক যুবক তার মাকে তুলে নিয়ে যায় বিয়েবাড়ির পাশেই একটি মোবাইল টাওয়ারের কাছে। বাধা দিতে গেলে ব্যাপক মারধর করে মাকে। মায়ের দাঁত ভেঙে যায়। মায়ের পরনের গহনাও কেড়ে নেয় সে। এরপর উত্তমের সঙ্গে চারজন মিলে তাঁকে গণধর্ষণ করে। অত্যাচারে জ্ঞান হারান মা।

দীর্ঘদিন ধরেই পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা উত্তম তার মাকে কুপ্রস্তাব দিচ্ছিল বলে অভিযোগ করে মেয়ে। সাড়া দিতেন না, লোকলজ্জার ভয়ে মুখও খুলতেন না মা। তবে সুযোগ পেয়ে উত্তম, তার সঙ্গীরা মাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ভোর বেলায় হুঁস ফিরলে সেখান থেকে উঠে রাস্তার ধারে আসেন মা। প্রতিবেশী ও স্থানীয় পার্টি নেতাদের বিষয়টি জানানো হয়।
প্রতিবেশীরা খবর দিলে গলসি থানার পুলিশ গিয়ে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমানে নিয়ে যায়। ট্রাক্টর চালক উত্তমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিয়েবাড়িতে এমন ঘটনায় হতবাক এলাকার মানুষজন। রাম মাঝি, নিখিল চন্দ্র বিশ্বাসের স্থানীয়দের দাবি, কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত দোষীদের। নিগৃহীতা ও অভিযুক্ত চারজনেরই বাড়ি একই জায়গায় বলে জানা গিয়েছে।