দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিজের গড়ে কোণঠাসা অবস্থা। প্রায় প্রতিদিনই দল ত্যাগ চলছে। সংগঠন কমতে কমতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। রাজনীতির ময়দানে হারলেও হাইকোর্টে জয় হলো অধীর চৌধুরীর।
পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্ব থেকেই শাসকদল ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ উঠেছে। মামলাও হয়েছে বিস্তর। কিন্তু বেশিরভাগ মামলা ধোপে টেকেনি। সিপিএম, বিজেপির প্রায় সব মামলায় খারিজ করেছে হাইকোর্ট। শুনানি হয়েছে কেবলমাত্র অধীর চৌধুরীর করা মামলার।
পঞ্চায়েত ভোটে সাধারণ মানুষ কতটা সুরক্ষিত? এটাই ছিল অধীরের মামলার বিষয়। আজ কোর্ট শুনানিতে জানান যে সুরক্ষার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে হবে কমিশনকেই। সাধারণ মানুষের সুরক্ষা, বিরোধী দলের সমর্থকদের সুরক্ষা সব ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পরেই ভোটের দিন ঘোষণা করবে কমিশন।
শুনানিতে এও বলা হয় যে কোনও জায়গায় শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হলে তার দায় আধিকারিকদের ওপর। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বেতন বা সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। কোর্টের এই সিদ্ধান্তের মধ্যে নিজের জয় দেখছেন অধীর।
হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে ভেনুগোপাল বলেছিলেন যে অধীর চৌধুরী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাই তাঁর পক্ষে এরকম মামলা করা সাজে না। একথার উত্তরে অধীর বলেন, ভেনুগোপালের নামের মধ্যেই একটা শিশুসুলভ ব্যাপার রয়েছে, তাই তিনি ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারছেন না। ঠিক তেমনই অধীরের নামের মধ্যেও একটা অধৈর্য লুকিয়ে আছে। রাজ্যের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত তাই তিনি ধৈর্য ধরতে পারছিলেন না।
পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে হাইকোর্টের এই শুনানি অধীরের বক্তব্যকেই কার্যত মান্যতা দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।