
শেষ আপডেট: 3 April 2023 07:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা ১ এপ্রিল আসছিলেন গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত আবদুল লতিফের (Abdul Latif) ফরচুনা গাড়িতে। শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকানের সামনে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয় রাজুকে। এ নিয়ে যখন তোলপাড় শুরু হয়েছে তখন রাজু খুনের (Raju Jha Murder) তদন্তে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম তথা সিটকে লিখিত বয়ান (appalling words) দিলেন ওই গাড়ির চালক নূর হুসেন।
তিনি জানিয়েছেন, ১ এপ্রিল সকাল আটটায় ইলামবাজারে আবদুল লতিফের বাড়িতে যান তিনি। দুপুর একটায় আবদুল লতিফ গাড়িতে ওঠেন। গাড়ি রওনা দেয় দুর্গাপুরের উদ্দেশে।
এর মাঝে ফিরিঙ্গি মোড়ে ওই সাদা ফরচুনে পিছনের সিটে ওঠেন ব্রতীন মুখোপাধ্যায়। বিকেল পাঁচটা নাগাদ সিটি সেন্টারে ফরচুন হোটেলে এসে থামে গাড়ি। নূর তাঁর বয়ানে লিখেছেন, ওই হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন রাজু। তারপর লতিফ, ব্রতীন এবং রাজু ঢুকে যান হোটেলে।
সন্ধে সাড়ে ছ'টা নাগাদ দুর্গাপুর থেকে গাড়ি রওনা দেয়। সামনের সিটে চালকের পাশের আসনে ছিলেন রাজু। নূর লিখেছেন, শক্তিগড়ে ব্রতীন তাঁকে গুটখা কিনতে দাঁড়াতে বলেন। এরপর ওই জায়গায় গাড়ি থেকে নামেন নূর। নেমে পড়েন ব্রতীন এবং লতিফও। সেই সময়েই গাড়িতে বসে থাকা রাজুকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেয় দুষ্কৃতীরা।
রবিবার একটি ভিডিও সামনে আসার পরেই স্পষ্ট হয়েছিল আবদুল লতিফ ওই গাড়িতে ছিলেন। যিনি আবার সিবিআইয়ের খাতায় গত ছ'মাস ধরে ফেরার। রাজু খুনের পর তিনি কোথায় চলে গিয়েছেন তাও এক রহস্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গাড়ির চালকের বয়ানের পর অনেকগুলি প্রশ্ন উঠছে। এক, কেন গাড়ি থেকে নেমে পড়লেন ব্রতীন এবং আবদুল লতিফ? তারপর কোথায় গেলেন তাঁরা? তাহলে কি সবটাই সাজানো?
সব মিলিয়ে রাজু হত্যাকাণ্ডে গাড়ির চালকের লিখিত বয়ান তদন্তে নয়া মোড় নিতে পারে বলে অনুমান।
শকুনের রাজনীতি করছে বিজেপি, রিষড়ার অশান্তি নিয়ে তোপ তৃণমূলের