
শেষ আপডেট: 22 July 2023 12:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: নেশামুক্তি কেন্দ্রে এক আবাসিককের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল দুর্গাপুরে (Rehab center in Durgapur)। মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, ওই কেন্দ্রের কর্মীরাই পিটিয়ে মেরেছেন। সেই অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তে নামে পুলিশ। ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রের কর্তাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর।
ঘটনাটি ঘটেছে, দুর্গাপুরের (Durgapur) সিটি সেন্টার এলাকায়। মৃত যুবকের নাম সুমিত দাস (২৬)। পরিবারের কথায়, সুমিত একটা সময় নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছিল। নেশার হাত থেকে বাঁচাতে সুমিতকে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নেশামুক্তি কেন্দ্রে পাঠানো হয়। প্রায় ১৮ মাস মতো ওইখানেই ছিল সুমিত।
সুমিতের পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার রাতে হোম থেকে ফোন করে জানানো হয় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তাদের ছেলে। তাঁকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেই খবর পাওয়া মাত্রই হাসপাতালে ছোটেন সুমিতের পরিবারের লোকেরা। গিয়ে দেখেন সুমিত আর বেঁচে নেই।
ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন সুমিতের মা পূর্ণিমা দাস। তাঁর অভিযোগ, সুমিতকে ঠিকমতো খেতে দেওয়া হত না। এমনকী মারধর করা হত। ছেলের মৃত্যুর জন্য হোম কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করছেন সুমিতের পরিবার। তাদের বক্তব্য, সুমিতকে পিটিয়ে মারা হয়েছে।
পরিবারের এক সদস্যর অভিযোগ, প্রতি মাসে সাত হাজার টাকা করে নিলেও আবাসিকদের সেইভাবে দেখভাল করা হত না। ঠিকমতো খাবারও দেওয়া হত না। চিকিৎসক বা কাউন্সিলিংয়ের জন্য সেইভাবে কোনও কাউন্সিলর ছিল না। মারধর করা হত।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরের ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ সেখান সুমিতের পরিবারের লোকেরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। হোমের কর্তা অভিজিৎ ভাওয়ালকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সিটি সেন্টার পুলিশ ফাঁড়িতে।
দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার জানিয়েছেন, 'শুক্রবার রাতে অসুস্থ অবস্থায় সুমিতকে ভর্তি করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল তাঁর বুকে ব্যথা। চিকিৎসা শুরু ঠিক সময়েই। কিন্তু আধঘণ্টা পরেই মৃত্যু হয় তাঁর।' পুলিশ জানিয়েছে, কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্ত না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না।
দিনহাটায় ধৃত বিজেপি নেতার পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজত, গণনাকেন্দ্রে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ