
শেষ আপডেট: 24 June 2023 08:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তিনবছর পর বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হল বধূর দেহ। ঘটনায় খুনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। পুলিশ আগেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ প্রমাণ করা পারেনি পুলিশ। শেষে জামিন পেয়ে যায় ওই যুবক। তবে শেষ অবধি সিআইডির গোয়েন্দাদের কাছে খুনের কথা স্বীকার করেছে সে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে।
সূত্রের খবর, অভিযুক্ত যুবকের নাম ভোম্বল মণ্ডল। তাঁর স্ত্রী, মৃত ওই মহিলার নাম টুম্পা মণ্ডল। ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। এদিকে মেয়ের কোনও খোঁজখবর না পেয়ে টুম্পার বাবা লক্ষ্মণ হালদার সোনারপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন। অভিযোগ পেয়েই তদন্তে নামে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় ওই মহিলার স্বামীকেও। কিন্তু টুম্পাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর সঠিক প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে যায় ভোম্বল।
তবে হাল ছাড়েননি মহিলার বাবাও। তিনি কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। শেষে গত ১৩ জুন বিচারপতি এই মামলার তদন্তের ভার সিআইডির হাতে দেয়। তদন্তকারী অফিসাররা ভোম্বলকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। লাগাতার জেরার মুখে অবশেষে শুক্রবার স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করে ভোম্বল। জানায়, তিন বছর আগে ২০২০ সালেই স্ত্রী টুম্পাকে সে খুন করেছিল। তারপর সেই দেহ লুকিয়ে ফেলেছিল সোনারপুরের ভাড়া বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে।
এদিকে, সিআইডির কাছে খুনের কথা স্বীকার করার পরই অভিযুক্ত যুবকের জামিন বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা যুক্ত করার আবেদনও জানান গোয়েন্দারা। অন্যদিকে, সোনারপুরে সেই ভাড়া বাড়িতে গিয়ে মৃত মহিলার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
বারুইপুরে বিয়ে করতে চাইতেই তরুণীকে মারধর! চুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ প্রেমিক ও তার মায়ের বিরুদ্ধে