দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবার না খেতে পেয়ে মৃত্যুর ঘটনা। মৃত্যু হল ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের। ঝাড়খণ্ডের গ্রামে দিনের পর দিন তাঁর পরিবার অনাহারে কাটাচ্ছেন। প্রায় তিন মাস তাঁরা রেশন পাচ্ছেন না। গত বৃহস্পতিবার রামচন্দ্র মুণ্ডার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগের শেষ চার দিন তাঁর কোনও খাবারই জোটেনি।!
মৃতের মেয়ে স্থানীয় জনবন্টন ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলে অভিযোগ করেছেন ইতিমধ্যেই। তিনি বলছেন, তাঁদের এলাকায় মাসের পর মাস বায়োমেট্রিক মেশিনে সমস্যা থাকায় তাঁরা রেশন তুলতে পারেননি। আর প্রশাসনও সেদিকে নির্বিকার ছিল, তাই তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে না খেতে পেয়ে। এমনকি শুধু এই পরিবারই নয়, স্থানীয় অনেকগুলো পরিবারই এই অভিযোগ এনেছে। তাঁরা বলছেন, মাসের পর মাস সেখানে রেশন আসছে না।
যদিও স্থানীয় প্রশাসন এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে। বদলে সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট সুধীর কুমার যুক্তি দিয়ে বলছেন, “আয়ুষ্মান ভারত যোজনা, রেশন কার্ড, পেনশন সমস্ত সুযোগ সুবিধাই পেয়েছিল মুণ্ডা পরিবার। তবে সেই গ্রামে কয়েকদিন ধরে ইন্টারনেট না থাকায়, রেশন অফলাইনেই দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই আপাতত সেখানে অনলাইনে রেশনের কোনও ব্যবস্থা থাকছে না। ”
দেশের স্বাধীনতার ৭২ বছর চলছে, দেশ যখন ডিজিটাল হচ্ছে, তখন আজ ঝাড়খণ্ড, কাল মহারাষ্ট্র, পরশু তেলেঙ্গানায় কেন মানুষ অনাহারে মারা যাচ্ছে, সেই প্রশ্নই উঠে আসছে বারবার। আর যখনই এমন ঘটনা ঘটছে প্রশাসন ব্যস্ত হয়ে পড়ছে নিজেদের দোষ ঢাকতে বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে।