
শেষ আপডেট: 19 January 2023 13:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জঙ্গল থেকে প্রায়শই লোকালয়ে চলে আসে। জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে, গ্রামবাসীর ওপর আক্রমণ করছে হাতিরা, এমন ঘটনাও সামনে আসে। তাই হাতির কবল থেকে গ্রামবাসীদের বাঁচাতে বাংলায় বিশেষ করিডর (Elephant Corridor) তৈরি হচ্ছে। এতে যেমন উপকৃত হবেন গ্রামবাসীরা, তেমনই সুরক্ষিত থাকবে হাতিরাও। বাংলা ছাড়াও আরও পাঁচ রাজ্যে এই করিডর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
হাতির হামলায় (Elephant Attack) মৃত্যুর ঘটনা আগের অনেক কমেছে বলে দাবি করা হচ্ছে বন দফতরের (WB Forest Department) তরফে। ২০১৯-২০ সালে এই সংখ্যাটা ছিল ১৩৪। ২০২২-২৩ সালে তা এসে দাঁড়িয়েছে ৫৭-তে। হাতিদের গতিবিধির ওপর ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হয় বনদফতরের তরফে। এছাড়াও হাতির হামলায় মৃত্যু ঘটলে মৃতের পরিবারকে চাকরি অথবা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয় সরকারের তরফে।

রাজ্যে ইতিমধ্যেই হাতিদের জন্য ১১টি করিডর তৈরি হচ্ছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানানো হয় বন দফতরের তরফে। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় বন মন্ত্রকের আধিকারিকরা কলকাতায় আসেন। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বন বিভাগের রাষ্ট্রমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিবেক কুমার সহ অন্যান্যরা। এছাড়াও কেন্দ্রীয় বন মন্ত্রকের তরফে উপস্থিত ছিলেন রমেশ পাণ্ডে। পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশা ও ছত্তীসগড় সরকারের প্রতিনিধিরাও।

হাতির যত্ন ও সংরক্ষণের বিষয়টিতে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলা অনেকে এগিয়ে রয়েছে বলে এদিনের বৈঠকে জানান কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি। এই বৈঠক শেষে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানান, দিল্লি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে। জীবজন্তু সংরক্ষণে বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন তাঁরা।
মমতাকে নাড্ডার পরামর্শ, 'দিদি এত রেগে যাবেন না, স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়'