দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরবঙ্গের ভোটযুদ্ধের পর সোমবার নজরে দক্ষিণবঙ্গ। চতুর্থ দফায় আজ, ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে মোট ৮টি লোকসভা আসনে। বীরভূমের বীরভূম ও বোলপুর, দুই বর্ধমানের বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান দুর্গাপুর ও আসানসোল, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট এবং মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কেন্দ্রের ভোট ঘিরে সর্বত্র কড়া নজরদারি। বাংলার ক্ষেত্রেও হেভিওয়েট তালিকাটা কম লম্বা নয়। রয়েছেন কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী, তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র, মুনমুন সেন, শতাব্দী রায়, বিজেপি-র বাবুল সুপ্রিয় এবং এসএস আলুওয়ালিয়া-র মতো প্রার্থীরা।
সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। তার মধ্যেই বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর এসেছে নানা জায়গা থেকে। প্রায় ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে কমিশন সূত্রে জানানো হলেও, অভিযোগ আট আসনের সব বুথে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়নি।
কৃষ্ণনগরের চাপড়ার দইয়ের বাজার বিদ্যামন্দিরে ৫টি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় ছড়াল উত্তেজনা। প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে বুথ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন সেকেন্ড পোলিং অফিসার।
বর্ধমান-দুর্গাপুরের জেমুয়ার বুথগুলিতে নেই কেন্দ্রীয় বাহিনী। অভিযোগ, পাঁচ বুথে রয়েছেন মাত্র পাঁচ জন জওয়ান। সকাল থেকেই বুথের সামনে বিক্ষোভ এলাকাবাসীর। ভোট বন্ধ করে পুলিশের সঙ্গে বচসা ভোটারদের।
বহরমপুরের কৃষ্ণনাথ কলেজিয়েট স্কুলে উত্তেজনা, তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর।
ময়ূরেশ্বরের ব্রাহ্মণবহড়া স্কুলে ইভিএম খারাপের অভিযোগ, ভোট দিতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থী দুধকুমার মণ্ডল।
সকাল থেকেই দুর্গাপুর ১০ নম্বর বুথে ছড়াল উত্তেজনা। বিজেপির পোলিং এজেন্টদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
দুবরাজপুরে বিজেপি এজেন্টদের সঙ্গে হাতহাতি তৃণমূল সমর্থকদের। বিজেপি এজেন্টদের বাইক কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ।
বহরমপুর বিএড কলেজে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ।
বীরভূমের একাধিক কেন্দ্রে ইভিএম খারাপের অভিযোগ বিজেপির। কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে বিক্ষোভ।
কেতুগ্রামের খাজি হাইস্কুলে ছাপ্পা ভোট। বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মুখে কুলুপ প্রিসাইডিং অফিসারের।