শেষ আপডেট: 12 December 2019 12:35
হস্টেলের পরে স্কুলে স্কুলে গিয়ে আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের রক্তের নমুনা নিয়ে তা পরীক্ষা করা হবে। তারপরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই কাজ করা হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৫৮ হাজার আদিবাসী তরুণ-তরুণীর রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে ৪৮ শতাংশ থ্যালাসেমিয়ার বাহক। থ্যালাসেমিয়া রয়েছে এক শতাংশের।
থ্যালাসেমিয়া রোগ নয়, জিনঘটিত সমস্যা। তাই এর স্থায়ী কোনও প্রতিকারও নেই। তবে সচেতন হলে তা এড়ানো সম্ভব। থ্যালাসেমিয়ার বাহক কোনও পুরুষ বা নারী যদি আরেকজন থ্যালাসেমিয়া বাহককে বিয়ে করেন, তা হলে তাঁদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়াগ্রস্ত হওয়া প্রায় নিশ্চিত। ইতিমধ্যেই এব্যাপারে সচেতন করা শুরু হয়ে গেছে।
জিনঘটিত রোগ নির্ধারণ নিয়ে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে একটি প্রশাসনিক বৈঠক করেন বিনয়কৃষ্ণ বর্মন। জলপাইগুড়ি সার্কিট হাউসে জেলাশাসক-সহ বেশ কয়েকজন প্রশাসনিক আধিকারিক এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রী জানান, থ্যালাসেমিয়াগ্রস্তদের চিকিৎসার জন্য চার ধরনের বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই তাঁদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হবে।
এছাড়া তপশিলি জাতি ও উপজাতিদের এসসি-এসটি কার্ড যাতে সঠিক ভাবে দেওয়া হয় সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের। স্বাধীনতার পরে সাত দশক পেরিয়ে গেলেও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে শিক্ষার হার অন্য সব সম্প্রদায়ের তুলনায় কম। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁদের মধ্যে শিক্ষার হার কম তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দফতর।