
শেষ আপডেট: 5 November 2022 07:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: লটারি মামলায় (lottery scam) এবার অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) জিজ্ঞাসাবাদ করতে আসানসোল সংশোধনাগারে (Asansol Jail) পৌঁছলো সিবিআইয়ের (CBI) চার সদস্যের একটি দল। এরমধ্যে দু'জন আধিকারিক ভিতরে ঢুকে একদা বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতিকে জেরা করছেন বলে খবর।
দু’দিন আগেই বোলপুরের গাঙ্গুলি লটারি এজেন্সির মালিককে কলকাতায় নিজাম প্যালেসে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। শুক্রবার আবার সিবিআইয়ের একটি টিম হানা দেয় বোলপুরের রাহুল লটারিতে। সেই লটারি এজেন্সির কর্তা, কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই অফিসারেরা। এরপরই আজ অনুব্রতকেও লটারি নিয়ে জেরা শুরু হয়েছে। ফলত একটা কথা পরিষ্কার যে, অনুব্রতর লটারি জেতা নিয়ে কোমর বেঁধে নামল সিবিআই।
শুধু অনুব্রতই নন, সম্প্রতি বীরভূম জেলার এক তৃণমূল নেতার ভাইয়ের বউও ডিয়ার লটারিতে এক কোটি টাকা জিতেছেন। কিছুদিন আগে জোড়াসাঁকোর তৃণমূল বিধায়ক বিবেক গুপ্তর স্ত্রী রুচিরা গুপ্তও ডিয়ার লটারিতে এক কোটি টাকা জিতেছেন। এভাবে পরপর যখন শাসকদলের নেতা বা তাঁদের আত্মীয়স্বজন লটারিতে ফার্স্ট প্রাইজ জিতছেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টিকে খতিয়ে দেখতে চাইছে সিবিআই। এটা কি কাকতালীয় নাকি সত্যিই লটারিতেও দেদার দুর্নীতি চলছে, তার তদন্ত চলছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ডিয়ার লটারিতে অনুব্রত মণ্ডল এক কোটি টাকা জিতেছিলেন এই বছরের জানুয়ারি মাসে। প্রায় দশ মাস পর সেই লটারি জেতা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। এই প্রেক্ষিতেই শনিবার আসানসোল সংশোধনাগারে গিয়েছেন সিবিআইয়ের চার সদস্য। এর আগে বোলপুরে গাঙ্গুলি লটারি নামের যে দোকান থেকে টিকিটটি কাটা হয়েছিল, সেই দোকানের লটারি এজেন্টকেও মঙ্গলবার জেরা করেছিল সিবিআই। সূত্রের খবর, তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, অনুব্রত নিজে গিয়ে সেই টিকিটটি কিনেছিলেন নাকি অন্য কারও মারফতে সেটি কিনেছিলেন কেষ্ট মণ্ডল।
অনুব্রতর লটারি জেতা নিয়ে সিবিআই নামল কোমর বেঁধে, হানা বোলপুরের দোকানে