
শেষ আপডেট: 1 May 2020 03:57
এখন মৃত ও সুস্থের দু'টি সংখ্যা কেন্দ্র ও রাজ্যের পরিসংখ্যানে মিলে গেলেও, বরাবরের মতোই গোল বাঁধিয়েছে আক্রান্তের সংখ্যাটি। কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী ৭৯৫ জন যদি করোনা আক্রান্ত হন এবং ১৩৯ জন সুস্থ ও ৩৩ জন মৃত হন, তাহলে হিসেব বলছে এই মুহূর্তে করোনাভাইরাস অ্যাকটিভ আছে ৬২৩ জনের শরীরে। যে সংখ্যাটি রাজ্যের খাতায় ৫৭২।
যদিও মহামারীর মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ব্যাপারে রাজ্য ও কেন্দ্রের পরিসংখ্যান এক হওয়ারই কথা, কিন্তু যে কোনও কারণেই হোক সেটা হচ্ছে না। প্রায় প্রথম থেকেই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কম থাকছে। এই নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের তথ্যে অসঙ্গতির অভিযোগে সরব বিরোধী দলগুলি ও চিকিৎসকদের একাংশ। অভিযোগ উঠেছে মৃত্যুর সংখ্যা গোপন করারও। যদিও সরকারের বক্তব্য, যাঁদের কোনও ক্রনিক রোগ রয়েছে তাঁদেরই করোনাভাইরাস থেকে ঝুঁকি বেশি। করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে এখনও পর্যন্ত যতজনের মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কো-মর্বিডিটি ছিল। ফলে কোনও তথ্য গোপন করা হচ্ছে না।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকেলেই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত রাজ্যে ১০৫ জন করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে মারা গেছেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে ৩৩ জনের মৃত্যুর কারণ কোভিড ১৯। বাকি ৭২ জনের করোনা সংক্রমণ হলেও, তাঁদের মৃত্যু হয়েছে অন্য কোনও কারণে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন, “চিকিৎসায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীরা সাড়া দিচ্ছেন। কিছু ক্ষেত্রে রেকারিং প্রবলেম নিয়ে আসছেন। তাঁদের হয়তো নিউমোনিয়া রয়েছে, ব্রঙ্কো নিউমোনিয়া রয়েছে বা অন্য কোনও কঠিন অসুখ রয়েছে। কারও বা মৃত্যুর সময়ে কিংবা মৃত্যুর পর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসছে। আমরা সেগুলো অডিট কমিটির কাছে পাঠাচ্ছি। সেই কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার পরই আমরা মৃতের সংখ্যা বলছি।”