
শেষ আপডেট: 12 May 2023 13:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৪ সালের টেট (2014 TET) পরীক্ষায় নিয়োগ পাওয়া ৩৬ হাজার জন অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দিলেন (36000 primary teachers were initially dismissed) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। সাম্প্রতিক সময়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে অনেক ক্ষেত্রেই চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট (High Court)। কিন্তু এত বিপুল পরিমাণ বাতিল আগে হয়নি। এই টেট পরীক্ষা হয়েছিল ২০১৪ সালে (Primary Teachers Recruitment)। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া হয় ২০১৬ সালে।
ন’বছর আগের টেটের নিয়োগে (Primary Teachers Recruitment) দুর্নীতি রয়েছে বলে আদালতে মামলা করেছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তবে তিনি বলেছিলেন, এই প্যানেলের ৪২ হাজার ৫০০ জনের নিয়োগ হয়েছিল। কিন্তু সবাই যে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন তা নয়। কেউ কেউ পরীক্ষা দিয়ে মেধার ভিত্তিতেও চাকরি পেয়েছেন।
তবে এই ৩৬ হাজার জনের চাকরি পুরোপুরি যাচ্ছে না। আগামী চার মাস তাঁরা পার্শ্বশিক্ষকের বেতন পাবেন। সরকারকে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ সম্পূর্ণ করতে হবে।
তিনি আদালতে বলেন, যাঁরা বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছিলেন তাঁদের বিষয়ে তদন্ত করা হোক। এই মামলার তদন্তভার সিবিআইকে দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)।
এর আগে এই মামলার শুনানিতেই আধ ঘণ্টার নোটিসে জেল থেকে হাইকোর্টে ডাকিয়ে আনা হয়েছিল মানিক ভট্টাচার্যকে। সেদিন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত চেয়ারম্যানকে দেখা গিয়েছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) সঙ্গে আলাদা করেও কথা বলতে।
সেদিন মানিকের থেকে যা জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতি, জবাবে পলাশীপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক বলেছিলেন, তথ্য দেখে সবটা বলতে হবে। এও বলেছিলেন, ‘আপনি আমায় আধঘণ্টা আগে ডাকবেন, আমি চলে আসব।’
এরমধ্যে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য। শীর্ষ আদালত স্পষ্টই বলেছে, ওএমআর শিট জালিয়াতিতে আসল মাস্টারমাইন্ড ছিলেন মানিকই। দেখা গেল তাঁর সময়ে হওয়া ২০১৪-র টেটে (Primary Teachers Recruitment) এদিন জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
রাজ্যের বড় ধাক্কা পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল