স্যালুট মেরে মেরি ক্রিসমাস বললে, তবেই সান্তার বেশে পুলিশকর্তাকে চিনলেন ডিএম
দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম : বড়দিনের সকালে অবাক ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আয়েষা রানি। বাংলোর দরজা খুলতেই দেখতে পেলেন সামনে দাঁড়িয়ে সান্তাক্লজ ! সান্তাকে দেখে তখন আনন্দে লাফালাফি শুরু করে দিয়েছে জেলাশাসকের ছোট্ট মেয়ে। আর সান্তাও ততক্ষণে ঝোলা থেকে ক
শেষ আপডেট: 25 December 2018 17:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম : বড়দিনের সকালে অবাক ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আয়েষা রানি। বাংলোর দরজা খুলতেই দেখতে পেলেন সামনে দাঁড়িয়ে সান্তাক্লজ ! সান্তাকে দেখে তখন আনন্দে লাফালাফি শুরু করে দিয়েছে জেলাশাসকের ছোট্ট মেয়ে। আর সান্তাও ততক্ষণে ঝোলা থেকে কেক আর বিস্কুট বের করে ধরিয়ে দিয়েছেন খুদের হাতে।
জেলাশাসকের ঘোর তখনও কাটেনি। সান্তা স্যালুট মেরে বললেন, ‘‘মেরি ক্রিসমাস ম্যাম। এ বার সান্তাকে চিনতে অসুবিধা হলো না জেলাশাসকের। বুঝতে বাকি রইল না যে, তাঁর দরজায় আসা সান্তা আসলে এসডিপিও (ঝাড়গ্রাম) দীপক সরকার।

এই পুলিশ আধিকারিক বড়দিনে সান্তা সেজে মাতিয়ে দিলেন ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন এলাকা। জেলা পুলিশ সুপার অরিজিৎ সিংহও এ দিন সান্তার বেশে দীপকবাবুকে প্রথমে চিনতে পারেননি।
প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বাড়িতে ঘুরে বেরিয়ে শিশুদের আনন্দ দিয়েই দীপকবাবু সোজা চলে যান ঝাড়গ্রাম জেলা হাসপাতালের শিশু বিভাগে। হাতে কেক চকোলেট তুলে দিয়ে ভর্তি থাকা কচিকাঁচাদের শরীরের কষ্ট কিছুক্ষণের জন্য ভুলিয়ে দেন তিনি। এরপর ঝাড়গ্রাম চিড়িয়াখানা ও চিলকিগড় মন্দির চত্বরেও যান দীপকবাবু।

সান্তাকে পাশে নিয়ে দেদার সেলফি তোলে খুদে পর্যটকরা। আর তাদের অভিভাবকরা ? কলকাতা থেকে বেড়াতে আসা শিল্পা রায়, বেলুড়ের আকাশনীল দাসরা তো সান্তার পরিচয় পেয়ে রীতিমতো অবাক।