
শেষ আপডেট: 23 September 2018 18:30
পাশাপাশি, একাধিক জায়গায় রেল অবরোধও করা হয়। উড়িষ্যার ভিতর প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত অবরুদ্ধ হয়ে আছে জাতীয় সড়ক। ফলে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে পড়েছে অনেক পণ্যবাহী ট্রাক। সকাল থেকেই যানজটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেও চলছে আন্দোলন। পাশাপাশি, রেল অবরোধ চলছে হাওড়া, খড়্গপুর শাখার বালিচক, খড়্গপুর স্টেশনের মাঝখানে খেমাশুলি, বাঁকুড়ার ছাতনা, পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে। খেমাশুলিতে টাটা-খড়গপুর আপ ও ডাউন লাইনে চলছে অবরোধ। ফলে বাতিল হয়েছে বহু লোকাল ট্রেন। তা ছাড়া, এই স্টেশনগুলিতে অনেক ট্রেনও অবরোধের জেরে দাঁড়িয়ে পড়েছে। রেল পরিষেবা ব্যাহত হয়ে চরম দুর্ভোগের মুখে নিত্যযাত্রীরা।
সংগঠন এর পক্ষ থেকে জেলা পারগানা মহলের সদস্য রবিন টুডু বলেছেন, "সকাল ৬ টা থেকে আমাদের এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যতক্ষণ না সরকার আমাদের দাবি মানছেন, ততক্ষণ আমরা আমাদের এই কর্মসূচি চালিয়ে যাবl" পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও উড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডেও রেল অবরোধের ডাক দিয়েছে আদিবাসীরা। ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বিভিন্ন জায়গায় চলছে রেল অবরোধ। বেলপাহাড়ি, বাঁকুড়া, দুর্গাপুর রুটে সমস্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
পারগানা মহলের নেতাদের অভিযোগ, রাজ্য সরকার সাঁওতালি ভাষায় পঠন পাঠন শুরু করলেও সেটা নামমাত্র। অলচিকি ভাষায় শিক্ষকের অভাব রয়েছে। পর্যাপ্ত ক্লাসরুম এবং বইখাতাও নেই পড়ুয়াদের কাছে। ফলে স্কুলে আসতে চাইছে না অনেক পড়ুয়া। নানা সামাজিক সুযোগ সুবিধা থেকেও তারা বঞ্চিত।
আদিবাসীদের দাবি, সাঁওতালি ভাষা জানা, অলচিকি জানা বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে, পাশাপাশি সরকারি নির্দেশে সমস্ত ইচ্ছুক সমস্ত শিক্ষককে সাঁওতালি মাধ্যম স্কুলে আনতে হবে। বই সরবরাহ ও পরিকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি আদিবাসী শিক্ষক ও সরকারি কর্মীদের রাজনৈতিক বদলি বন্ধ করতে হবে। আন্দোলনকারীদের দাবি, সাঁওতাল ভাষাকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত স্বীকৃতি দিতে হবে।