দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: প্রথমে খুটখাট শব্দ। পরে রীতিমতো দরজা-জানলা ভাঙার বিকট আওয়াজ। তড়িঘড়ি ছুটে আসেন নিরাপত্তারক্ষীরা। ভিতরে তখন মিহি গলায় পুরুষ ও নারী কণ্ঠের ফিসফাস কানে আসছে। কিন্তু, এ কী? দরজা তো বাইরে থেকে তালা বন্ধ। ভিতরে যাওয়ার তো অন্য রাস্তা নেই। তাহলে ভিতরে কারা কথা বলছে?
মাঝরাতে রায়গঞ্জ ইউনিভার্সিটিতে এ ভাবেই আতঙ্কিত হলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, পায়ের আওয়াজ পেয়েই সব শব্দ নিমেষে গায়েব হয়ে যায়। মিলিয়ে যায় সেই পুরুষ ও নারী কণ্ঠের ফিসফাসও। তাহলে সেটা কী ছিল? ভূত নয় তো?
রায়গঞ্জ ইউনিভার্সিটির ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকাতেই ভূতের ভয় ছড়িয়েছে। আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারাও।
https://www.youtube.com/watch?v=7zzg9zlp_S8
ইউনিভার্সিটির এক নিরাপত্তারক্ষীর কথায়, মঙ্গলবার মাঝরাতে কেমিস্ট্রি ল্যাবের দরজা-জানলা ভাঙার আওয়াজ পেয়ে তাঁরা সবাই ছুটে যান। কোথাও কিছু দেখা গেলেও ল্যাবের ভিতরে পুরুষ ও মহিলার কন্ঠ শুনতে পান তাঁরা। প্রথমে মনের ভুল ভেবে ফিরে আসেন সবাই। ফের কিছুক্ষণ পরে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়। নিরাপত্তারক্ষীরা খবর দেন ইউনিভার্সিটির কর্তা ব্যক্তিদের। তাঁরাও কাওকে দেখতে পাননি। পরে খবর দেওয়া দেওয়া রায়গঞ্জ থানায় ও দমকল বিভাগে। পুলিশ ও দমকল বাহিনী রাতেই গোটা কলেজ ঘুরে দেখেন। কিন্তু, তাঁরাও কিছু দেখতে না পেয়ে ফিরে গিয়েছেন।
নিরাপত্তারক্ষীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরে তাঁরা এই ইউনিভার্সিটিতে কাজ করছেন। নাইট ডিউটিতে কখনও এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হননি তাঁরা। মঙ্গলবার সারা রাতই এমন সব আওয়াজের কারণে খুবই আতঙ্কে ছিলেন তাঁরা সবাই।