দ্য ওয়াল ব্যুরো, আলিপুরদুয়ার: জলদাপাড়ায় গন্ডার খুনের ঘটনায় এক জন মহিলা শ্যুটার জড়িত বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এসএসবির গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, ওই গন্ডারটিকে মারার পিছনে নাগাল্যান্ডের বাসিন্দা এক মহিলার জড়িত থাকার সম্ভাবনা প্রবল। যদিও সেই সম্ভাবনার কথা সম্পূর্ণ ভাবে উড়িয়ে দিচ্ছে রাজ্য বন দফতর। এমনকি এই রকম কোনও তথ্যের কথা স্বীকারই করেননি এই মামলার তদন্তকারী বন আধিকারিক।
ওই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, রিকোশ নার্জারি, সুভাস নার্জারি, পুংখ্যা বসুমাতা, লোকেন বসুমাতা ও সুনীল নার্জিনারি নামে পাঁচ চোরাশিকারিও এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। এদের মধ্যে জলদাপাড়া জঙ্গল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দা সুনীল নার্জিনারিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ। তবে বাকি চার জনের জড়িত থাকার কথা এখনই মানতে চাইছে না রাজ্য বনদফতর। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও কুমার বিমল বলেন, “এই রকম কোনও তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমরা মনে করছি, বাস্তবে এই তথ্যের কোনও ভিত্তিও নেই। গন্ডার খুনের ঘটনার তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যতটা সহজে বলা হচ্ছে তত সহজ নয়।”
গত ৩০ অক্টোবর বিকেলে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের উত্তর রেঞ্জের ফিফটি ফিট বিট এলাকার ৪ নম্বর কম্পার্টমেন্টে একটি পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী গন্ডারকে গুলি করে মারে চোরাশিকারিরা। পরের দিন মৃত গন্ডারের দেহ উদ্ধার করে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ। গন্ডারের দেহ থেকে দু’টি বুলেট পায় বন দফতর। এই ঘটনায় প্রথমে মোট চার জনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে তিন জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ধৃত শ্যামল সুব্বার বিরুদ্ধে এর আগেও গন্ডার খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গন্ডার খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ির চালককে মনিপুর থেকে গ্রেফতার করে বন দফতর। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে মোট দু’জন।