দ্য ওয়াল ব্যুরো, দার্জিলিং : শনিবার থেকে মঙ্গলবার। এই চারদিনে পাহাড়ের ভোটে পৃথক রাজ্য, চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি এ সমস্ত চালু ইস্যুকে এক ধাক্কায় যেন অনেকটাই পেছনে ফেলে দিয়েছে এনআরসি। গত শনিবার আলিপুরদুয়ারে সভা করতে এসে বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ বলেছিলেন, ক্ষমতায় এলে এ রাজ্যেও লাগু হবে এনআরসি। আর তারপর থেকেই পাহাড়ে মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে এনআরএসি। অতএব সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রচারের সিংহভাগ জুড়েও।
পাহাড়ের তৃণমূল প্রার্থী অমর সিং রাই, প্রচারে হাতিয়ার করেছেন জাতীয় নাগরিক পঞ্জীকে। বলছেন, এনআরসি লাগু হলে গোর্খাদের সমূহ বিপদ। এটা রুখতে বিজেপিকে রুখতে হবে। অতএব ভোটবাক্সে তার প্রতিফলন দরকার।
অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থী রাজু বিস্তের পাল্টা প্রচার, এনআরসি লাগু হলে বাড়তি সুবিধা পাবেন গোর্খারা।
আজ সকাল থেকে দার্জিলিঙের হ্যাপি ভ্যালি চা বাগানে প্রচার করেন রাজু। শ্রমিক বস্তির ঘরে ঘরে গিয়ে কথা বলেন বাসিন্দাদের সঙ্গে। চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির জন্য জোরদার সওয়াল করার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি তাঁর বক্তব্যের সিংহভাগ জুড়ে ছিল এনআরসি। রাজু বলেন, “এনআরসি নিয়ে ভুল প্রচার করছে রাজ্যের শাসকদল। তাতে প্রভাবিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। এনআরসি লাগু হলে বরং পাহাড়ের মানুষের লাভ। যে ভাবে বাংলাদেশ থেকে বেআইনি অনুপ্রবেশ চলছে, তা চলতে থাকলে একদিন সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে গোর্খারা। এটা সবাইকে বুঝতে হবে।”
https://www.youtube.com/watch?v=ZZt1aD7IPsQ&feature=youtu.be
এ দিকে পাহাড়ে সিপিএমের প্রার্থী সমন পাঠক বলেন, “তৃণমূল আর বিজেপি দুটো দলই এনআরসি নিয়ে রাজনীতি করছে। বিভিন্ন চা বাগানে চা শ্রমিকদের দুর্দশার অন্ত নেই। ন্যূনতম মজুরি নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। এনআরসিকে ভোটের ইস্যু করা হচ্ছে।”