পুজোর থিমে অরণ্যের রহস্য, মোগলি, বাগিরা, শের খানকে নিয়ে বাজিমাত মাঝেরপাড়া সর্বজনীনের
দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম: মণ্ডপের ভিতরে আদিম অরণ্যের রহস্যময়তা। পরতে পরতে অ্যাডভেঞ্চারের রোমাঞ্চ। কোথাও বুনো ঝোঁপ, তো কোথাও শের খানের হুঙ্কার। 'প্রাণের খোঁজে অরণ্য' এই থিমেই বাজিমাত করে দিয়েছে মাঝেরপাড়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব।
উব্দোধন থেকে
শেষ আপডেট: 15 October 2018 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম: মণ্ডপের ভিতরে আদিম অরণ্যের রহস্যময়তা। পরতে পরতে অ্যাডভেঞ্চারের রোমাঞ্চ। কোথাও বুনো ঝোঁপ, তো কোথাও শের খানের হুঙ্কার। 'প্রাণের খোঁজে অরণ্য' এই থিমেই বাজিমাত করে দিয়েছে মাঝেরপাড়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব।
উব্দোধন থেকে দর্শকদের ভিড়ে তিলধারণের জায়গা নেই। মণ্ডপের অভিনবত্ব থেকে থিমের বিশেষত্ব, সবই নজরকাড়া। বন-জঙ্গল হারিয়ে শহুরে সভত্যতায় থাবা গেড়েছে কংক্রিটের ইমারত। বন্যপ্রাণ তাই বিপর্যন্ত। সেই বার্তা দিতেই এই থিমের ভাবনা। মণ্ডপের সাজে তাই অরণ্যের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। ছোটদের কথা মাথায় রেখে তাই মণ্ডপে রয়েছে মোগলি, বাগিরা, বালু এবং শেরখানরাও। আর রয়েছে সেই ডানপিটে বাঁদরের দল।

কচিকাঁচাদের এই পুজো খুবই মনে ধরেছে, এমনটাই জানিয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। তাই পঞ্চমা থেকেই উপচে পড়েছে ভিড়। ঝাড়গ্রাম বিশ্ব বাংলার পক্ষ থেকে এই থিমের মন্ডপটি প্রথম হয়েছে। এছাড়াও নানা সংস্থা থেকে থেকে একাধিক পুরস্কারও ঝুলিতে পুরেছে।


থিমের ভাবনা ও মণ্ডপসজ্জার দায়িত্বে ছিলেন ঝাড়গ্রামের বিশিষ্ট শিল্পী অভিজিৎ রায় ও সৌরভ ধ্বলদেব। এ বছর তেরোতম বছরে পা দিল মাঝেরপাড়া সর্বজনীন। পূজা কমিটির এবারের বাজেট প্রায় আট লক্ষ টাকা। জঙ্গলবুকের থিমটি ফুটিয়ে তুলতে খরচ হয়েছে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা । প্রতিমা তৈরি হয়েছে ফাইবার কাস্টিং দিয়ে।
পুজো কমিটির সম্পাদক অভিজিৎ রাউৎ বলেছেন, "দিনের পর দিন নির্বিচারে কাটা হচ্ছে গাছ। বন্য প্রাণ ধ্বংসের মুখে। তাই মানুষকে আমরা বার্তা দিতে চেয়েছি অরণ্য রক্ষা করুন ও বন্য প্রাণ বাঁচান।"