Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ফুলহারের বন্যা আর ভাঙনে বিপর্যস্ত রতুয়া: সরকার দেখছে না, বলছেন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদা : একদিকে ভাঙন, অন্যদিকে প্লাবন, ফুলহার নদীর সাঁড়াশি আক্রমণে বিপর্যস্ত মালদার রতুয়া। গত তিন দিনে তলিয়ে গেছে দেড়শোরও বেশি বাড়ি। জলবন্দি হয়ে রয়েছে প্রায় দুশো পরিবার। রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের মহানন্দাটোলা অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এল

ফুলহারের বন্যা আর ভাঙনে বিপর্যস্ত রতুয়া: সরকার দেখছে না, বলছেন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান

শেষ আপডেট: 16 July 2019 08:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদা : একদিকে ভাঙন, অন্যদিকে প্লাবন, ফুলহার নদীর সাঁড়াশি আক্রমণে বিপর্যস্ত মালদার রতুয়া। গত তিন দিনে তলিয়ে গেছে দেড়শোরও বেশি বাড়ি। জলবন্দি হয়ে রয়েছে প্রায় দুশো পরিবার। রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের মহানন্দাটোলা অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ভাঙছে নদীর পাড়। ভাঙ্গনের সঙ্গেই জল ঢুকছে একাধিক গ্রামে। নদীর রাক্ষুসে রূপে কার্যত দিশেহারা মহানন্দাটোলার নদী তীরবর্তী পরিবার গুলি। ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা আকাশের নিচেই চলছে বেঁচে থাকার লড়াই। মহানন্দাটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধানের দাবি রাজ্য সরকারও এই সমস্ত অসহায় মানুষের পাশে নেই। এ বিষয়ে কিছু বলতে নারাজ ব্লক আধিকারিকও। মহানন্দাটোলার বঙ্কুটোলা গ্রামে চলছে ভয়াবহ ভাঙ্গন। ইতিমধ্যে গ্রামের প্রায় দেড়শোটি বাড়ি নদী গর্ভে তলিয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় তৃণমূল প্রধান। অন্যদিকে ফুলহারের জল ঢুকে প্লাবিত বাজিতপুর, বদনটোলা, মেঘুটোলা গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা। জলবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ২০০ টি পরিবার। বিঘার পর বিঘা চাষের জমি জলের নীচে। মাথার উপর ছাদ নেই। তার উপর গ্রামে দেখা দিয়েছে পানীয় জলের সমস্যা। গত প্রায় ৭ দিন ধরে টানা ভাঙ্গন চলছে। সঙ্গে প্লাবন। দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম গিয়েছে গ্রামবাসীদের। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জলস্তর। গৃহহীন পরিবারগুলি উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। তবে কোনও ত্রাণ সামগ্রী এখনও মেলেনি বলে তাঁদের অভিযোগ। মহানন্দাটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান কিরণ মাঝি বলেন, “ইতিমধ্যে নদীর জলে তলিয়ে গিয়েছে বঙ্কুটোলা গ্রামের প্রায় ১৫০ টি বাড়ি। দুশোটি পরিবার জলবন্দি হয়ে পড়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার এখনও কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করছে না।” যদিও জেলা প্রশাসনের দাবি, বিষয়টির ওপর নজর রাখা হয়েছে। জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, “ফুলহারের জলস্তর বেড়েছে। আমরা সতর্ক আছি। জেলার চর এলাকাগুলিতে নজরদারির পাশাপাশি প্রচারও চলছে। আমরা সবাইকে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার আর্জি জানিয়েছি। বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে সজাগ করা হয়েছে। সব রকম ভাবে আমরা প্রস্তুত।”

```