দ্য ওয়াল ব্যুরো, হাওড়া : এই সেদিনও ভোট এলেই চিত্রিত হয়ে ওঠা বিভিন্ন দেওয়ালে একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল ব্যঙ্গচিত্র। কিন্তু রাজনৈতিক উত্তাপ যত বাড়ছে, ততই যেন হিউমার হারাচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। দেওয়াল লিখনে কার্টুন বড় একটা আর দেখা যায় না আজকাল। তবে এ বার মধ্য হাওড়ায় ছবিটা যেন একটু আলাদা। যাওয়া আসার পথে ঘাড় ঘুরিয়ে আপনাকে তাকাতেই হবে। সৌজন্যে তৃণমূল।
বিরুদ্ধ দলকে কটাক্ষ করতে ময়দানে হাজির বাঁটুল দি গ্রেট, হাঁদা-ভোদা, নন্টে-ফন্টে থেকে একেবারে হাল আমলের ছোটা ভিমও। জিএসটি থেকে নোট বাতিল, ১৫ লক্ষের প্রতিশ্রুতি থেকে রাফাল, ইস্যু যাই হোক, বিজেপিকে বিঁধতে ছাড়ছে না কেউই।
মধ্য হাওড়া ও শিবপুরের আনন্দ রায় চৌধুরী লেন, যাদব দাস লেন, নবীন মুখার্জী লেনের বিভিন্ন রাস্তায় তৃণমূলের দেওয়াল লিখনের একটা বড় অংশ জুড়ে এ বার শুধুই ব্যঙ্গচিত্র। আর তা নিয়ে রাজনৈতিক কচকচিও জমজমাট। স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুশোভন চট্টোপাধ্যায় বললেন, “দেওয়াল লিখনে কার্টুন মানুষের চোখ টানবেই। আবার এটা তাঁদের চোখ ও মনের পক্ষে একটা রিলিফও বটে। সব ভেবেই আমরা এ বার এই এলাকায় প্রচুর ব্যঙ্গ চিত্র করেছি। আর যে দলটার সঙ্গে আমাদের লড়াই, তাদের ব্যঙ্গ করার জন্য বিষয়েরও অভাব নেই। সব মিলিয়েই ব্যাপারটা জমে গেছে।”
https://www.youtube.com/watch?v=A3lH4OdbIJg&feature=youtu.be
বিজেপির পাল্টা বক্তব্য, এছাড়া ওদের আর কীই বা করার আছে? হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি সুরজিত সাহা বলেন, “কার্টুন পার্টি কার্টুন ছাড়া কী আর করবে ?”
এই রাজনৈতিক আকচাআকচি চলছেই। তবে দেওয়ালে চেনা মুখ দেখে খুশি এখানকার মানুষ। এলাকার বাসিন্দা বরুণ দাস বললেন, “কার্টুন তো শুধু ছোটদের নয়, বড়দেরও টানে। দেওয়ালে যখন হাঁদা-ভোঁদা, বাঁটুল দি গ্রেটকে দেখছি, তখন চোখ টানছে বইকি।”