হাইস্কুলের পাম্প খারাপ দু মাস, জল নিয়ে আসে পড়ুয়ারাই
দেবব্রত সরকার, পশ্চিম মেদিনীপুর ; শৌচাগারে রাখা আছে সারি সারি বড় ড্রাম। স্কুল শুরুর আগে তাতে জল ভরে রাখে পড়ুয়ারা। গ্রামের আরেক প্রান্তে থাকা সাবমার্সিবল পাম্প থেকে নিয়ে আসতে হয় জল। তাই স্কুল শুরুর ঘণ্টা পড়ার বেশ খানিকক্ষণ আগেই চলে আসতে হয়
শেষ আপডেট: 13 September 2018 12:20
দেবব্রত সরকার, পশ্চিম মেদিনীপুর ; শৌচাগারে রাখা আছে সারি সারি বড় ড্রাম। স্কুল শুরুর আগে তাতে জল ভরে রাখে পড়ুয়ারা। গ্রামের আরেক প্রান্তে থাকা সাবমার্সিবল পাম্প থেকে নিয়ে আসতে হয় জল। তাই স্কুল শুরুর ঘণ্টা পড়ার বেশ খানিকক্ষণ আগেই চলে আসতে হয় পড়ুয়াদের।
মিড ডে মিল খাওয়ার পরেও একইভাবে ছুটতে হয় সেই সাবমার্সিবল পাম্পে। হাতে থালা, জলের বোতল। পার হয়ে গিয়েছে দু মাসেরও বেশি সময়। তাই এতেই যেন অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে গোয়ালতোড়ের কিয়ামাচা উচ্চ বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। দু মাসেরও বেশি সময় ধরে খারাপ স্কুলের পাম্প। কিন্তু নানা জায়গায় বলেও সে পাম্প সারানোর ব্যবস্থা হয়নি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনুপ কুমার পড়িয়া বলেন, ’’আমরা বারবার জানিয়েছি প্রশাসনিক বিভিন্ন স্তরে। কিন্তু কাজ হয়নি। তাই শৌচালয়ে বড়ো বড়ো ড্রাম রেখেছি, ছাত্রীরা বাইরে থেকে জল এনে তাতে ভর্তি করে, মিড ডে মিল খাওয়ার পর থালা বোতল নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা গ্রামের পাম্পে যায়। বাসন ধোয়া, জল খাওয়া সবই সেখানে।’’
যারা স্কুলে মিড ডে মিল রান্না করেন তাঁদেরও জল নিয়ে আসতে হয় দূর থেকে। এ ভাবেই করে যাচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু প্রধান শিক্ষক জানালেন এ বার বেঁকে বসেছেন তাঁরাও। আর দূর থেকে জল নিয়ে এসে রান্না করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তাই চিন্তার ভাঁজ প্রধান শিক্ষকের কপালে। এ বার হয়তো জলের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে মিড ডে মিলও।