
শেষ আপডেট: 2 January 2023 11:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ পাকা বাড়ি তৈরি হবে বাংলায় (Banglar Bari)। সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সমস্ত জেলাকে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী জানিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে এই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে হবে।
আবাস যোজনায় (Abas Yojona) গত মাস পর্যন্ত আবেদন সংগ্রহ করেছে সরকার। সেই সব আবেদন স্ক্রুটিনি ও ভেরিফিকেশনের পর চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হয়েছে। মুখ্যসচিব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ৩১ মার্চ তথা বর্তমান আর্থিক বছরের মধ্যেই ১১ লক্ষ ৩৬ হাজার বাড়ি বানানোর কাজ সেরে ফেলতে হবে।
নবান্ন (Nabanna) সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত মোট ১০ লক্ষ ১৯ হাজার জনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন দেওয়ার দিন থেকে চল্লিশ দিনের মধ্যে জালনা পর্যন্ত গাঁথনি করে ফেলতে হবে। তার আরও ৩৫ দিনের মধ্যে লিন্টেল পর্যন্ত গাঁথনি সেরে ফেলতে হবে উপভোক্তাদের। এর ১৫ দিন পর বাড়ির কাজ দেখতে ভেরিফিকেশনের জন্য যাবে সরকারি টিম।
কৌতূহলের বিষয় হল, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নবান্নের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, আবাস প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। তবে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কোচবিহার জেলায়। কোচবিহারে ১ লক্ষ ১৯ হাজারের বেশি পরিবারকে এরমধ্যেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছিল পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। সেখানে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার বাড়ি বানানোর জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সরকার প্রতিটি ধাপে কীভাবে নজরদারি চালাবে সে ব্যাপারে স্পষ্ট গাইডলাইন দিয়েছেন মুখ্যসচিব। শুধু তাই নয়, উপভোক্তারা কীভাবে তাঁদের বাড়ি বানাবেন, কোনও অসুবিধা হলে কোথায় সাহায্য পাবেন সে ব্যাপারেও গোড়াতেই তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
সোমবার এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছেন, এই প্রকল্পের জন্য টাকা আগেই দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রের। কিন্তু আর্থিক বছরের শেষে এসে টাকা দিল। তিন মাসের মধ্যে সাড়ে ১১ লক্ষ পরিবারকে চিহ্নিত করে কাজ শেষ করা মুখের কথা নয়। আসলে বিজেপি রাজ্য সরকারের ব্যর্থতাকে বড় করে দেখাতে চায়। সেই কারণেই বছরের শেষে এসে টাকা দিল। এরপর টাকা খরচে দেরি হলে বলবে, দেখো পারল না।
তবে মুখ্যসচিবের নির্দেশ থেকে পরিষ্কার যে রাজ্য সরকার কেন্দ্রকে সেই সুযোগ দিতে চায় না। সাড়ে ১১ লক্ষের মধ্যে গরিষ্ঠ সংখ্যক বাড়ির কাজ মার্চের মধ্যেই শেষ করে ফেলতে চায়।
‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ মনে করাবে মমতার ‘রাখে দিদি মারে কে’ ভাবমূর্তি, আশায় তৃণমূল