
শেষ আপডেট: 11 December 2018 18:30
সৌন্দর্যায়নের কাজও হয়েছে মুকুটমণিপুরে। গোটা জলাধার চত্বর পথবাতি দিয়ে সাজানো হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কারের অভাবে পড়ে থাকা জলাধার সংলগ্ন একটি উদ্যানকে নতুন রূপে সংস্কার করা হয়েছে। জলাধারে নৌকা ভ্রমণে এ বার থেকেই ‘লাইফ জ্যাকেট’ পরা বাধ্যতামূলক করেছে এমডিএ। গত ডিসেম্বরে মুকুটমণিপুরে ফানুস উড়িয়ে ‘ফান উৎসব’-এর আয়োজন করে পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পেয়েছিল এমডিএ।
মুকুটমণিপুরে তৈরি হয়েছে পর্যটন কেন্দ্রের পথ চিত্র। রাজ্যের মধ্যে যা এই প্রথম। গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে এসে এই কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে গেছেন। সাধারণ পর্যটকদেরও অতিব আকর্ষণের বস্তু হয়ে উঠেছে এই পথচিত্র। তারই ফলশ্রুতিতে এ বছর ফের পথচিত্র নতুন করে তৈরীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুধু মুকুটমণিপুর নয়, সোনামুখী থানার রাধামোহনপুর অঞ্চলের দামোদরের তীরেও পর্যটকদের ভিড় দেখার মতো। আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে নদীর ‘রণডিহা ড্যাম’। বাঁকুড়া জেলার পর্যটন মানচিত্রে মুকুটমনিপুর ও অযোধ্যার পর দামোদর নদী ও রণডিহা ড্যাম পর্যটকদের বিশেষ পছন্দের জায়গা। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুর্গাপুর, বর্ধমান ছাড়াও ভিন রাজ্য থেকে এখানে পর্যটকরা পিকনিক করতে আসেন।
তবে সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকেও প্রশাসনের দৃষ্টি করেছেন পর্যটক ও এলাকার বাসিন্দারা। সৌমেন মণ্ডল নামে এক পর্যটকের কথায়, ‘‘নজরদারির অভাবে প্রায়ই পর্যটকদের ছবি তুলতে বাঁধের গেটের উপরে উঠে পড়তে দেখা যায়। যে কোনও মুহূর্তে বিপদ ’’
বাঁকুড়া জেলার ডিহিপাড়া অঞ্চলের ধুলাই অঞ্চল থেকে আগত এক পর্যটক সৌমেন মণ্ডল বলেন, প্রশাসনিক কোন নিরাপত্তা নেই যার কারনে পর্যটকরা গেটের উপর উঠে যাচ্ছে। তাই প্রশাসনিক নিরাপত্তা থাকলে ভালো হয়।’’
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যাতে একটা শান্তির এবং মনোরম পরিবেশ পায় সেটা নিশ্চত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সোনামুখী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রণব রায়। তাঁর কথায়, ‘‘এখনও পর্যন্ত কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বিষয়টা আমরা ডিভিসি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’’