
শেষ আপডেট: 12 October 2018 08:38
তিনিই জানান, যখন নিয়ে আসা হয়েছিল তখন হাতিটি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল না। পিলখানায় আনার পর দুধমা মুক্তিরানীর দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই ডাক্তারবাবুর প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ঘড়ি ধরে ঘণ্টায় ঘণ্টায় চাহিদা অনুযায়ী বেবিফুড গুলিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। দেরি হলেই তার চিৎকারে মুখরিত হচ্ছে গরুমারার জঙ্গল। মা হারানো এই হস্তি শাবকই এখন গরুমারায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছে প্রধান আকর্ষণ।
গরুমারা সাউথ এর রেঞ্জ অফিসার অয়ন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘সারাক্ষণ ধরে কড়া নজরদারিতে রাখা হচ্ছে মাস দেড়েকের এই ছানাকে। ছানাটিকে উদ্ধারের পর আমরা দেখতে পাই তার মুখে গায়ে ইনফেকশন রয়েছে। ওই সময় ভালো করে হাঁটতেও পারছিল না ছানাটি। সম্ভবত এই কারণেই তাকে ফেলে চলে গেছে দলটি।’’
https://www.youtube.com/watch?v=9v_MVmoXhyU
পশু চিকিৎসক ডঃ শ্বেতা মণ্ডলের তত্ত্বাবধানে রয়েছে হাতির ছানাটি। তিনিই তার খাবার ও ওষুধের চার্ট করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘সকালের দিকে দেড় ঘন্টা অন্তর ৭৫০ এম এল করে পরে ওর চাহিদা অনুযায়ী কখনো ৫০০ এম এল কখনও ৭৫০ এম এল করে বেবিফুড দেওয়া হচ্ছে। এখন অনেকটা সুস্থ হয়েছে। ঘেরাটোপে হাঁটাহাঁটি করছে।’’