দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব মেদিনীপুর: চলে গিয়েছে বুলবুল। এরপরেই প্রশাসনের নজরদারি ঢিলেঢালা হওয়ায় দিঘার সমুদ্রে রবিবার দুই পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারই জেরে আজ সোমবার থেকে ফের সমুদ্র স্নানে নিষেধাজ্ঞা জারি হল দিঘাতে। সোমবারও উত্তাল সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যাচ্ছিল এক পর্যটক। কোনওমতে নুলিয়াদের চেষ্টায় তিনি রক্ষা পান বলে জানা গেছে।
ঘূর্ণিঝড় চলে গেলেও সমুদ্র এখনও অশান্ত। রবিবারও তাই সমুদ্রে নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছিল প্রশাসন। কিন্তু সেই সতর্কতা না মেনেই সমুদ্রে স্নান করতে নেমেছিলেন দক্ষিণ কলকাতার বাঘাযতীন থেকে আসা পর্যটক ইন্দ্রনীল মজুমদার। বন্ধুদের সঙ্গে স্নান করতে নেমে দিঘার ক্ষণিকা ঘাটে তলিয়ে যান তিনি। রবিবার বিকেল চারটে নাগাদ ওই ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর নুলিয়ারা তার দেহ উদ্ধার করে। দুপুর দু’টো নাগাদ সি হক ঘোলার ঘাটে স্নান করতে নেমে সমুদ্রে তলিয়ে যান সঞ্জয় নস্কর ( ৪৫ ) নামের আরও এক যুবক। বারাসতের বাসিন্দা সঞ্জয়। এই ঘটনার পর প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ দিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আতঙ্কে যাঁরা উইকএন্ডে বুকিং বাতিল করেছিলেন, তাঁদের অনেকেই ভিড় জমিয়েছেন দিঘায়। পর্যটকদের ভিড় এখন রীতিমতো নজরকাড়া। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে বিপদের আশঙ্কায় ফের সমুদ্রের কাছাকাছি যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। তাই ঝড় কেটে গিয়েছে বলে যাঁরা দিঘায় এসেছেন, তাদের অনেকেই সমুদ্র স্নান করতে না পেরে হতাশ।