দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: বনগাঁয় ঠাকুরবাড়ির চত্বর থেকে বোমা উদ্ধারের অভিযোগে চাঞ্চল্য। পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ন’টা নাগাদ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গাইঘাটা থানার পুলিশ হানা দেয় ঠাকুর বাড়ির চত্বরে। সেখানে কামনা সাগরের পাশে একটি নির্মীয়মাণ ঘর থেকে উদ্ধার হয় ছটি তাজা সকেট বোমা।
এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক টানাপড়েন। রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অভিযোগ, এলাকায় সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করতে ওই বোমা মজুত করেছেন বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। পুলিশকে বিষয়টা জানানো হয়েছে। পুলিশ সবকিছু খতিয়ে দেখছে।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, “সমস্ত কিছু জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মদতে হচ্ছে। আমি কিছুই জানি না। ঠাকুরববাড়ির ৪০ বিঘের সম্পত্তি। সেখানে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের যাতায়াত। কে কী উদ্দেশে বোমা রেখেছে আমার জানার কথা নয়। পুলিশ আমাকে কিছু জানায়নি।”
বনগাঁ কেন্দ্রে শাসকদলের প্রার্থী হয়েছেন শান্তনুরই কাকিমা মমতাবালা ঠাকুর। মতুয়াদের নিজেদের ঘরে দুই রাজনৈতিক দলের এই লড়াই ঘিরে প্রথম থেকেই এ বার নজরে এই কেন্দ্র। ভোট মিটলেও তাই আঁচ কমছে না এতটুকুও। শেষবেলার প্রচারে গিয়ে গাড়ি দুর্ঘটনায় জখম হয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাঁকে খুনের চক্রান্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন শান্তনু। আবার ভোট মিটতেই রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ থেকে সুপারি কিলার এনে তাঁকে খুনের চক্রান্ত করেছেন শান্তনু। যদিও পরস্পরের বিরুদ্ধে ওঠা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দুজনেই।
কিন্তু পরের পর অভিযোগ এনে চাপে রাখার রাজনীতি যে জারি রয়েছে আজ বোমা উদ্ধারের পর সেটাই প্রকাশ্যে এল ফের।