
শেষ আপডেট: 10 October 2019 05:52
কালীপুজোর পরেই কিন্তু দেবী মূর্তির বিসর্জন হয় না। সারা বছর ধরে চলে মাতৃ আরাধনা। প্রথা মেনে বিসর্জন হয় পরের বছরের দুর্গা একাদশীতে। এই বিসর্জন ঘিরেই বুধবার মেতে উঠেছিলেন এলাকার মানুষ।
দেবীর বিসর্জন ঘিরে রয়েছে নানা গল্প কথা। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে যা লালন করছে নানা নিয়ম ও বিধিকে। যেমন বিসর্জনের সময় বেদি থেকে নাকি নামতেই চান না দেবী। তাঁকে নামাতে তাই আনা হয় শিকল ও দড়ি। শিকল ও দড়ি দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা হয় বিগ্রহকে। এরপর তাঁকে প্রচণ্ড গালিগালাজ করতে শুরু করেন স্থানীয় হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষজন। সেই গালাগালিতে শুনেই নাকি বেদি থেকে নামেন তিনি। দড়ি দিয়ে বেঁধে কাঁধে করে এরপর দেবীকে নিয়ে বের হয় বিসর্জনের শোভাযাত্রা।
দুর্গা একাদশীতে বিসর্জনের পর দুর্গা ত্রয়োদশীতে ফের শুরু হয় নতুন মূর্তি গড়ার কাজ। অমাবস্যায় কালীপুজোর দিন থেকে শুরু হয় পুজো। সেই পুজো করেন এলাকার বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মানুষজন। বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মানুষ ছাড়া আর কারও পুজো করার অধিকার নেই। বিসর্জনে অবশ্য অংশ নেন সবাই।