
শেষ আপডেট: 9 May 2019 12:37
উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড পেরিয়ে এখন এই বাংলায় তিনি। ইতিমধ্যেই পাড়ি দিয়ে ফেলেছেন ১৩,৫০০ কিলোমিটার পথ। আজ এখানে এসে ডুয়ার্সের রূপ দেখে রীতিমতো শিহরিত তিনি। বললেন, “দেশের যে সমস্ত জায়গায় যাব, সর্বত্র বলল ডুয়ার্সের সৌন্দর্যের কথা। জঙ্গলের এমন রূপ আগে দেখিনি।”
জানালেন, তাঁর বাবা অবসরপ্রাপ্ত কাস্টমস অফিসার। ভাই মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। মা সমাজসেবী। পাশাপাশি শোনালেন, দীর্ঘ ৫ মাস ধরে সাত রাজ্যের ১৩,৫০০ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক পাড়ি দেওয়ার অভিজ্ঞতা। বললেন, “জাতীয় সড়কে দিনগুলো তো কেটেই যাচ্ছে। কাটছে বেশিরভাগ রাতও। রাতে লরিচালক বা অচেনা অজানা লোকেরা আমার সঙ্গে অভব্য আচরণ করা তো দূরে থাক বদলে এত আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন যে আমি আপ্লুত। এমন কী রাস্তার ধারে বসে আমাকে রান্না করেও খাইয়েছেন লরিচালকেরা।”
জ্যোতি জানালেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাঁদের প্রচারে সামিল হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন তাঁকে। কিন্তু রাজি হননি তিনি। কারণ তাঁর লক্ষ্যটা অন্য। সম্পূর্ণ নিজের খরচে এই যাত্রাপথ পাড়ি দেবেন বলে জানান জ্যোতি। আজ ডুয়ার্সে থেকে আগামীকাল অসমের দিকে রওনা হবেন তিনি। পূর্ব ভারতের পর তাঁর সাইকেলের অভিমুখ হবে দক্ষিণ।