
শেষ আপডেট: 9 May 2019 06:56
গৌতমের মায়ের অভিযোগ, তাঁর ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী। তবে সুস্থ ছিল। কাজকর্ম করে সংসার চালাতো। তিনি বলেন, “ওকে পুলিশে ধরে নিয়ে গেছে শুনে ছুটে থানায় যাই। টাকা দিয়ে ছেলেকে ছাড়াতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শোনেনি কেউ। খুব মারধর করা হচ্ছিল ওকে। এরপরেই ওখান থেকে দমদম জেলে নিয়ে যায়। সেখানে আমার ছেলে মারা গেছে। যারা ওকে পিটিয়ে মারল সবার শাস্তি চাই।”
এই ঘটনার জেরে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা এলাকা। এখনও তাঁর দেহ ময়নাতদন্ত না করেই আরজিকর হাসপাতালে রেখে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। দ্রুত দেহের ময়নাতদন্ত করে দেহ ফেরত ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে আজ সকাল থেকেই উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী আজ সকালে দেগঙ্গার লেবুতলা স্টেশনে সাড়ে সাতটার ডাউন শিয়ালদা ইছামতি লোকাল আটকে রেখে অবরোধ শুরু করে। তখনকার মতো পুলিশ তাঁদের হটিয়ে দিলেও সকাল ৯ টা থেকে ফের রেল অবরোধ শুরু হয় হাসনাবাদ শাখার লেবুতলা স্টেশনে। ফলে বন্ধ হয়ে যায় আপ ও ডাউনলাইনের ট্রেন চলাচল। বিপাকে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
বুধবার বিকেলে গৌতম এর বাড়ির লোক বারাসাতে এসপি অফিসে এসে সেন্ট্রাল জেলের সুপারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ওই অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ দিকে জেল সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই বন্দিকে যে জেলে কোনও অত্যাচার করা হয়নি তার সমস্ত প্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।