কুয়োয় পড়েও সাহস না হারিয়ে বেঁচে গেল দশ বছরের শামিম
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম : আদালত চত্বরে কুয়োয় পড়েও বেঁচে গেল দশ বছরের ছোট্ট শামিম। আচমকা এমন ঘটনাতেও সাহস হারায়নি সে। দড়ি ধরে ঝুলে থাকল, যতক্ষণ না দমকল আসে।
শামিমের বাবা জেলে। শুক্রবার আদালতে তাঁর হাজিরার দিন ছিল। তাই ছেলের সঙ্গে দেখা করত
শেষ আপডেট: 5 July 2019 13:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম : আদালত চত্বরে কুয়োয় পড়েও বেঁচে গেল দশ বছরের ছোট্ট শামিম। আচমকা এমন ঘটনাতেও সাহস হারায়নি সে। দড়ি ধরে ঝুলে থাকল, যতক্ষণ না দমকল আসে।
শামিমের বাবা জেলে। শুক্রবার আদালতে তাঁর হাজিরার দিন ছিল। তাই ছেলের সঙ্গে দেখা করতে সিউড়ি আদালতে এসেছিলেন শামিমের দাদু ঠাকুরমা। তাঁদেরই হাত ধরে শামিম এসেছিল আদালত চত্বরে। ইতিউতি ঘুরে বেড়ানোর সময়েই আচমকা পড়ে যায় আদালত চত্বরে থাকা একটি পরিত্যক্ত কুয়োয়। শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনায় হুলুস্থুল পড়ে যায় গোটা চত্বরে। নিজের সাহস আর মনের জোরেই অবশ্য শেষরক্ষা হয়। প্রাণে বেঁচে যায় শামিম।
জানা গেছে জেলা ও দায়রা আদালতের সামনে দুটি ভবনের মাঝের গলিতে রয়েছে ওই পরিত্যক্ত কুয়োটি। যা নামমাত্র প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা ছিল। শুক্রবার দুপুরে সেখানেই ঘুরে বেড়াচ্ছিল ছোট্ট শামিম। অসাবধানেই প্লাস্টিকের ঢাকা দেওয়া ওই কুয়োতে পড়ে যায় সে।

এই ঘটনায় হুলুস্থুল পড়ে যায় আদালত চত্বরে। কুয়োটির প্রায় পনেরো ফুট নীচে জল রয়েছে। শিশুটি পড়তে পড়তে জলের কাছাকাছি গিয়ে আটকে যায়। দেখতে পেয়ে সেখানে উপস্থিত সবাই ছুটে যান। কোনওরকমে দড়ি বালতি জোগাড় করে নিয়ে এসে কুয়োয় ফেলেন। সেই দড়ি ধরে ফেলে ঝুলতে থাকে শিশুটি। বেশ কিছুক্ষণ ঝুলে থাকে সে। খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকল কর্মীরা এসে মই নামিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আর কিছুক্ষণ দেরি হলেই বড় বিপদ হয়ে যেত। শামিম মানসিক প্রতিবন্ধী বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের লোকেরা। তার ঠাকুমা সালিনা বিবি বলেন, “নাতি আমাদের সাথেই ছিল। বাথরুম যেতে গিয়েই বিপদ ঘটিয়ে ফেলে। জোর রক্ষা পেয়েছে। সবাই মিলে বাঁচিয়েছে আমার নাতিকে।”