দ্য ওয়াল ব্যুরো, বর্ধমান: সাত সকালেই রাজরথে টান পড়লো। রাজা নেই। রাজত্বও নেই। তবু রাজপরিবারের সাক্ষী হয়ে এখনও রথ আছে। ওই রথই এখনও বহন করছে রাজ পরিবারের স্মৃতি, ঐতিহ্য।
কালের নিয়মে বর্ধমানের রাজা এখন ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছেন। তবু রাজ ঐতিহ্য মেনে, পুরনো রাজ আমলের নিয়ম নীতি নিষ্ঠাভরে পালন করে রথের সকালে রশিতে টান পড়ে। মলিন,জীর্ণ রথের দায়িত্ব রাজার অবর্তমানে সেবাইতদের উপর।
১৭৪০ থেকে ১৭৪৪ সাল পর্যন্ত চিত্রসেন রায় বর্ধমানের রাজা ছিলেন। মুঘল সম্রাট মহম্মদ শাহর কাছ থেকে রাজার স্বীকৃতি পেয়েছিলেন তিনি। রাজা চিত্রসেন রায় রাজবাড়িতে রথের প্রচলন করেন। যদিও তার প্রায় তিরিশ বছর আগে চিত্রসেনের বাবা কীর্তিচাঁদ সেন, যিনি বর্ধমানের জমিদার ছিলেন তিনি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে সর্বসাধারণের জন্য রথ চালু করেছিলেন। তবুও রাজা চিত্রসেন রায়ের চালু রথ আজও মানুষকে টানে তার রাজকীয় আভিজাত্যে।