
শেষ আপডেট: 19 January 2024 17:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর বাংলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল ঠিকই। কিন্তু বাংলার হিন্দু ও মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের মোটের উপর সম্প্রীতির পরিবেশ ধরে রাখতে সফল হয়েছিলেন।
সময় বদলেছে। ২০১৪ সালের পর গোটা দেশের বিভাজন ও মেরুকরণের রাজনীতি উগ্র মূর্তি ধরেছে, তাকে আর তিন দশক আগের ভারতের সঙ্গে মেলানো মুশকিল। এই অবস্থায় ২২ জানুয়ারি নিয়ে আশঙ্কার প্রহর গুণছে পুলিশ ও প্রশাসনও। সূত্রের খবর, যে কোনও মূল্যে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে শুক্রবার বিকেলে সব জেলার পুলিশ সুপার এবং সিনিয়র পুলিশ অফিসারদের বৈঠকে ডেকেছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার।
রাজীব দক্ষ অফিসার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্নে কঠোর। তা ছাড়া ফোর্সের মনোবল বাড়ানোর ব্যাপারে তাঁর অবদানের কথা নিচু তলার পুলিশ কর্মী ও অফিসাররাও স্বীকার করেন।
তবে এও ঠিক যে সোমবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরে রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে বাংলায় টেনশন বাড়ছে। অভিযোগ, তাতে ইন্ধন জোগানের চেষ্টায় নেমেছেন বিজেপির তাবড় নেতারা।
যেমন এদিন মেদিনীপুরের সাংসদ তথা প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ টুইট করে বলেছেন, “যার শরীরে হিন্দু রক্ত রয়েছে, সে রামের বিরুদ্ধে যাবে না। যারা তৃণমূলের উচ্ছিষ্ট ভোগী, এই করেই খাচ্ছে আর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, এরকম কিছু লোক তৃণমূলের রাম বিরোধী মিছিলে যাবে।”
দিলীপের এই মন্তব্য কতটা চড়া দাগের তা ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। এ ব্যাপারে রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু আবার টুইট করে বলেছেন, বাংলায় সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়াতে এরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। রাম নবমীর মিছিলের নামে এভাবেই ওরা বিভাজন তৈরি করতে চেয়েছিল। রাজ্যে বিজেপির এই ষড়যন্ত্রকে বানচাল করে দিয়ে সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।