
শেষ আপডেট: 26 January 2020 18:30
হাসপাতাল সুপার আশীষ মান্না বলেছেন, চিনা পর্যটক জো হুয়ামিনের উপসর্গ দেখে প্রাথমিকভাবে পুণের ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির ডাক্তাররা বলেছেন তরুণীর শরীরে ভাইরাস নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁর পেটের সমস্যা আছে। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান তপন বিশ্বাসও বলেছেন, এখনই আতঙ্কের তেমন কোনও কারণ নেই। চিনা পর্যটক ওই তরুণী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নন বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তরুণীর অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল।
নোভেল করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াচ্ছে গোটা বিশ্বেই। সূত্রপাত চিনে হলেও, ইতিমধ্যেই হংকং, সিঙ্গাপুর, তাইল্যান্ড, জাপান, নেপাল এমনকি আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। চূড়ান্ত সতর্কতা জারি হয়েছে কলকাতা, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি, মুম্বই বিমানবন্দর-সহ দেশের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে। এখনও অবধি থার্মাল স্ক্রিনিং হয়েছে ২৯ হাজারেরও বেশি মানুষের।
বিহারের ছাপড়া ও রাজস্থানের জয়পুরে চিন-ফেরত দু’জন ভর্তি হাসপাতালে। অনুমান করা হচ্ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে তাঁদের মধ্যেও। এর আগে মুম্বই বিমানবন্দরে চিন-ফেরত দু’জনকে সর্দি-জ্বরের উপসর্গ নিয়ে কস্তরবা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁরাও সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটারি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলেই ধারণা ডাক্তারদের। মহারাষ্ট্র ও কেরলে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে অন্তত ১০০ জনকে। মুম্বই ও পুণের একাধিক হাসপাতালে তৈরি হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড। ভাইরাসের মোকাবিলা করার মতো সবকরম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে হাসপাতালগুলিতে।
কলকাতায় ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। সূত্রের খবর, সংক্রামিত রোগীদের আলাদা করে রাখার জন্য হাসপাতালে ১৬টি কেবিন ও দু’টি আইসিইউ প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের সঙ্গে কথা হলে প্রাথমিকভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর মতো যাবতীয় ওষুধপত্রও মজুত রাখা হয়েছে। অভিজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ টিম তৈরি রাখা হয়েছে।