দ্য ওয়াল ব্যুরো : আমি ফের সভাপতি হব বলেই কি ইস্তফা দিয়েছিলাম? প্রশ্ন ছুঁড়লেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের যে বিপর্যয় ঘটেছিল, তা অব্যাহত রয়েছে পরেও। দিল্লি বিধানসভায় একটি আসনও পায়নি দেশের প্রাচীনতম দল। এই অবস্থায় গুজব ছড়িয়েছিল, রাহুল ফের আগের পদে ফিরতে পারেন। আগামী এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি কংগ্রেসের প্লেনারি অধিবেশন বসবে। তখনই নাকি রাহুলকে আগের পদে ফেরানোর ব্যাপারেচূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। কিন্তু রাহুল এককথায় সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “নেতৃত্ব নিয়ে আমি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছি। আমি চিঠিতেও সব জানিয়েছি। এখন আমার ফের কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই।”
রাহুল পদ ছাড়ার পরে কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পদটি গ্রহণ করেন তাঁর মা সনিয়া গান্ধী। তিনি এর আগে দু’দশক কংগ্রেস সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু বর্তমানে তাঁর স্বাস্থ্য ভাল যাচ্ছে না। দিল্লিতে খারাপ ফলের পরে কর্মীরা দাবি করেছেন, অবিলম্বে দলকে চাঙ্গা করার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে মধ্যপ্রদেশে শুরু হয়েছে নতুন সংকট। মঙ্গলবার শোনা যায়, সেরাজ্যে কংগ্রেস সরকারের কয়েকজন বিধায়ক গোপনে গুরগাঁওয়ের হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন।
দু’দিন আগে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহকে বলতে শোনা যায়, রাজ্যে কংগ্রেস সরকার ফেলতে অপারেশনে নেমে পড়েছে বিজেপি। তাঁর অভিযোগ ছিল, কংগ্রেস বিধায়কদের দল ভাঙার জন্য ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা করে অফার করা হচ্ছে! তার পরেই শোনা যায়, শাসক দলের কয়েকজন বিধায়ক গোপনে হোটেলে গিয়ে উঠেছেন।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে কমলনাথ সরকারের দুই মন্ত্রী সেই হোটেলে যান। বুধবার কংগ্রেস দাবি করে, প্রায় সব বিধায়কই তাদের দিকে ফিরে এসেছেন। রাহুল বলেন, বিজেপি আগেও এইভাবে সরকার ফেলার চেষ্টা করেছে।