
দিঘা উপকুলে রেমালের বিচ্ছিন্ন প্রভাব
শেষ আপডেট: 27 May 2024 09:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব মেদিনীপুর: যতটা আশঙ্কা করা হয়েছিল রেমাল ততটা দাপট না দেখানোয় স্বস্তির শ্বাস ফেললেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা প্রশাসনের কর্তারা। রবিবার সকাল থেকেই ফুঁসে উঠেছিল সমুদ্র। দমকা হাওয়া জানান দিচ্ছিল, ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। তাই প্রাণহানি ও সম্পত্তিহানি রুখতে তৎপর হয় প্রশাসন। উপকূলবর্তী এলাকার মানুষদের ফ্লাড সেন্টারে চলে আসার আবেদন জানিয়ে প্রচার শুরু হয়।
রবিবার সন্ধের পর ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যায় ঝোড়ো হাওয়া। সঙ্গে বৃষ্টি। গভীর রাতে সাগরদ্বীপ আর বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মাঝে ঘূর্ণিঝড় রেমাল আছড়ে পড়ার পরে ঘণ্টাখানেক ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যায় দিঘা উপকূলের বিভিন্ন এলাকায়। ঝড়ের দাপটে হলদিয়া-তাজপুর- মন্দারমণি- তাজপুর- খেজুরিতে বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়ে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বহু রাস্তা। এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বহু এলাকা। বেশ কিছু এলাকায় মোবাইল সংযোগও বিচ্ছিন্ন বলে জানা গেছে।
সকাল থেকেই এনডিআরএফের টিম বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যায়। শুরু হয় গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করার কাজ। এদিকে কোটালের কারণে দিঘার সমুদ্রে রাত থেকেই জলোচ্ছ্বাস হয়। সোমবার সকালেও সমুদ্র যথেষ্ট উত্তাল। পর্যটকদের সমুদ্রের ধারে যেতে নিষেধ করেছে প্রশাসন। তা উপেক্ষা করেও অবশ্য বহু পর্যটক সকাল সকাল ভিড় জমিয়েছেন সমুদ্রের ধারে। প্রশাসনের তরফে মাইকে প্রচার চলছে সোমবারও।
এদিন সকালেও মাঝেমধ্যেই বয়ে যাচ্ছে দমকা হাওয়া। সঙ্গে চলছে বৃষ্টি। তবে বিপদ পার হয়ে গেছে বলেই মনে করছে প্রশাসন। রাতে উপকুলবর্তী এলাকার মানুষকে ফ্লাড সেন্টারে চলে আসতে বলা হলেও তাঁদের বেশিরভাগই নিজেদের ঘরেই ছিলেন বলে জানান জেলা প্রশাসনের কর্তারা।